“আলফা লিমিটেড কেস” [ কেস নম্বর-১৩ ]

আলফা লিমিটেড কেস

“আলফা লিমিটেড কেস” [ কেস নম্বর-১৩ ]

“আলফা লিমিটেড কেস

XYZ আরেকটি ব্যাংক এর নিকট থেকে ১৮৯ মিলিয়নের একটি স্বর্ণ কিনে নিয়েছিল। গ্রহীতা হলো আলফা লিমিটে একটি প্রক্রিয়াজাত চা উৎপাদনকারী ও রপ্তানীকারক। যদিও আলফা লিমিটেড প্রকৃতিগতভাবেই লিমিটেড কোম্পানী ছিল এবং কোম্পানিটি পুরোমাত্রায় কোম্পানীর একমাত্র মালিক জনাব কালু সরকারের উপর নির্ভরশীল ছিল।

কর সরকারের ছিল শুধু ন কন্যা। তার কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল না। জীবনের প্রথম দিকে সে অত্যন্ত দিনাতিপাত করত। কিন্তু শক্ত পরিশ্রম ও ব্যবসায়িক নিষ্ঠার মাধ্যমে সে ৫০ বছর বয়সে সাফল্য পায় এবং কোটিপতি হয়। গ্রহীতা হিসেবে আলফা লিমিটেড বিভিন্ন ধরনের ঋণ ব্যাংক হতে নিতে থাকে। এগুলো যেমন ছিল Cash Credit ान ঋ (Pledge). প্রত্যয়পত্র (LAC), প্যাকিং ফাইন্যান্স ইত্যাদি।

এখানে উল্লেখ্য যে, আলফা লিমিটেডের ক্ষণটি কিনে নেবার আগে তাদের ব্যবসায়িক বা আর্থিক কোন তথ্য দ্বিতীয় ব্যাংক বিচার বিবেচনা করেনি। সাধারণত একটি ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ ক্রয় করার পূর্বে ঋণগ্রহীতার বাজার সুনাম, ব্যবসায়িক সাফল্য, আয়তন ও অন্যান্য আর্থিক দিক বিবেচনায় আনা হয়।

চামড়া শিল্পে অবশ্য তখন “আলফা লিমিটেড” ব্যবসায়ের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছিল। আলফা লিমিটেডের সিকিউরিটি ও দায়ের অনুপাত ছিল ১:১০। এটা উল্লেখ্য যে, চামড়া শিল্পে ব্যাংক কর্তৃক দেয় ঋণ বছর বছর অসমন্বিত থেকে যায়। আসলে ঋণ প্রতি বছরই পুনঃ নবায়ন ও ব্যবসায়ের সাথে খাপ খাইয়ে সমন্বিত করা হয়।

ঋণ দেবার পর প্রথম এক বছর ঋণগ্রহীতার অবস্থা সন্তোষজনক থাকে। দ্বিতীয় বছরে ঋণগ্রহীতাকে ঈদ-উল আজহার প্রাক্কালে কাঁচা চামড়া কেনার জন্য প্রয়োজনীয় পরিমান অর্থ ঋণ হিসেবে মঞ্জুর করা হয়। ভবিষ্যত ঋণের প্রত্যাশায় আলফা লিমিটেড [ঋণ গ্রহীতা] শেয়ার পাওনাদারদের অনকূলে চেক ইস্যু করে। কিন্তু সাধারণভাবেই সমস্ত ঋণ দ্বিতীয় ব্যাংক একই সময়ে বিতরণ করে নি।

ফলে অনেক সংখ্যক আলফা লিমিটেড কর্তৃক ইস্যুকৃত চেক ব্যাংক কর্তৃক অমর্যাদা হয়। এই অবস্থা চামড়া বাজারে আলফা লিমিটেডের উপর চরম বিরূপ প্রতিক্রিয়া হয়। ফলে দিনে দিনে আলফা লিমিটেডের আগের সুনাম হ্রাস পায়। এরকম একটা অবস্থায় পাওনাদররা আলফা লিমিটেডের ঋণের উপর কড়াকড়ি আরোপ করতে থাকে।

“আলফা লিমিটেড কেস

এমনকি দিনে দিনে আলফা লিমিটেড সময়মত ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় এবং বিদেশে প্রয়োজনীয় চুক্তিকৃত রপ্তানীর পশ সরবরাহে অপরাগতা প্রকাশ করে। এই সমস্ত বাজে অবস্থা বিবেচনা করে ব্যাংক ঋনগ্রহীতাকে একটি শক্ত ঋণ নীতি আরোপ করে।

পরিশেষে ১৮৯ মিলিয়ন ঋণ বৃদ্ধি পেয়ে পেয়ে ১৮০ মিলিয়নে পৌছায় যাহার মধ্যে আসল, সুদ ও দন্ড সুন অন্তর্ভূক্ত। বাকী পড়ে যাওয়া ঋণ পুনরুদ্ধারের জন্য বাংক আলফা লিমিটেডের যাবতীয় সম্পত্তির উপর একটি পরিপূর্ণ বিশ্লেষণ করে এবং তাতে দেখা যায় বন্ধকীকৃত সম্পত্তি বিক্রি করেল ঋণের ১০% উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

আবার ও উল্লেখ্য যে, চামড়া ব্যবসায়ীদের একটি গোষ্ঠী আছে; তারা রাতে সবাই বন্ধু এবং ব্যাংকিং সময়ে তারা একে অন্যের নিঃশব্দ / নীরব শত্রু । তুমি একজন সিনিয়র এম. বি. এ ছাত্র হিসেবে ব্যাপারটি পর্যবেক্ষণ কর এবং ব্যাংকের উপর কোন উপদেশ থাকলে তা লিখ।

 “ওয়েষ্টার্ণ কেস” [ কেস নম্বর – ১৪ ]

ABD নামে একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক ১০০ মিলিয়ন টাকা “দি ওয়েষ্টার্ণ” নামের একটি পোশাক প্রস্তুতকারী কোম্পানী প্রতিষ্ঠার জন্য অর্থায়ন করে। সোহেল ও জেলিন ব্যবসায়ের দুই প্রধান উদ্যোক্তা। এই ব্যবসাটি তাদের জন্য ছিল এই প্রথম। বড় ভাই সোহেল ছিল ব্যবসায়ের প্রধান কর্মকর্তা। দুই ভাইয়ের টিম স্পিরিট, উন্নতমানের পোশাক উৎপাদন এবং দ্রুত বাজারজাতকরণের মাধ্যমে প্রথম চার বছরের মধ্যেই তারা সব ঋণ সুদসহ পরিশোধ করে।

ব্যাংক ওয়েষ্টার্ণ কোম্পানীর পূর্ব ঋণ পরিশোধের অভিজ্ঞতার আলোকে ঘূর্ণায়মান ঋণের আওতায় প্রচুর পরিমাণে অর্থ ঋণ হিসেবে দেয়। ব্যাংক ওয়েষ্টার্ণ কোম্পানীর উপর অতিরিক্ত বিশ্বাস স্থাপন করতে শুরু করে। কিন্তু বন্ধকী সম্পত্তির মূল্য মঞ্জুরীকৃত ঋণের থেকে অনেক কম ছিল।

দুইভাই তখন খুব আনন্দিত মনে ব্যবসা বর্ধিত করার চিন্তা করল এবং এই প্রেক্ষিতে ব্যাংক থেকে ঋণ নিবে বলে মনস্থ করল। ব্যাংক তখন ওয়েষ্টার্ণ-এর পূর্ব নৈপূন্য ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে ওয়েষ্টার্ণকে ব্যবসা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের জন্য আবারও অর্থায়ন করল। কিন্তু এখানে উল্লেখ্য যে, ব্যবসায়িক সাফল্য আনার জন্য ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত ঋণ যথেষ্ট ছিল না।

“আলফা লিমিটেড কেস

ফলশ্রুতিতে, দ্বিতীয় ব্যবসা বৃদ্ধিকরনের লক্ষ্যে ব্যাংক প্রথম ব্যবসায়ের যাবতীয় চলতি মূলধন দ্বিতীয় ব্যবসায়ে স্থানান্তর করল। ছোট ভাই জেলিন একটি রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত ছিল। এরই মধ্যে দু’ভাই সামাজিকভাবে খুবই বিখ্যাত হয়ে যায় এবং তাদের প্রথম ব্যবসায়ের লাভ প্রত্যাশিত থেকে অনেক বেশী হয়। পরিশেষে, তাদের নাম প্রচার করার জন্য তারা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় প্রচুর পরিমাণ চাঁদা দেয়।

এরই মধ্যে হঠাৎ করে, দুই ভাই মোটর দুর্ঘটনার স্বীকার হয়। বড়ভাই সোহেল পুরোপুরি অক্ষম হয়ে যায় এবং রেলিন অনকে রক্ষা পায়। সোহেল তখন ব্যবসা ক্ষেত্রে আসা বন্ধ করে দেয়। দিনে দিনে “ওয়েটা” উৎপাদন ও রপ্তানী ক্ষেত্রে ক্রমাগত সমস্যার সম্মুখীন হে থাকে।

রাজনৈতিক দলে জড়িয়ে পড়ায়, IBA থেকে B.B.A. INDIANA UNIV USA থেকে MBA করা সত্ত্বেও মেলিন অবস কারো প্রয়োজনীয় সময় দিতে অপরাগ হয়। এই মুহূর্তে, রাজনৈতিকভাবে প্রেলিন নাম করে, কিন্তু “রয়োগ ব্যাংকের একটি বড় খেলাপীতে পরিণত হয়। ব্যাংকের অনেক পরিমাণ ঋণ ওয়েস্টার্ণ এর নামে আটকা পড়ে এবং যেখানে বন্ধকী সম্পত্তি ছিল ঋণের তুলনায় অনেক কম।

আপনি MBM/MBA-এর ছাত্র হিসেবে ব্যাপারটি খোলসা করুন এবং ব্যাংককে প্রয়োজনীয় উপদেশ দিন।

আরও পড়ুনঃ

মন্তব্য করুন