ঋণ বিশ্লেষণ [ Credit Analysis ]

ঋণ বিশ্লেষণ বলতে আমরা বুঝি ঋণের জন্য আবেদনকারীদের দরখাস্তের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে ঋণ প্রাপ্যতা বিচার বিশ্লেষণ করা যে সব তথ্য আবেদনকারী ও তার আবেদনকৃত ঋণের প্রার্থীত ঋণ সম্পর্কে প্রাসঙ্গিকতা সংগ্রহ করে উপযুক্ত লোক দিয়ে যথোপযুক্ত পদ্ধতি অবলম্বন করলেই কেবল সঠিক বিশ্লেষণের ফল লাভ সম্ভব। অন্যথায় এরূপ বিশ্লেষনকর্ম পন্ডশ্রমে পর্যবেসিত হতে বাধ্য।

আবেদনকারীর ও তার প্রার্থীত ঋণ উভয়ের সম্পর্কে বিচার পর্যালোচনা না করে ঋণ দেয়া অতিশয় ঝুঁকিপূর্ণ। সম্ভাব্য ঋণগ্রহীতার চরিত্র, তহবিল ব্যবহার ক্ষমতা, পুঁজির অবস্থার মুল্যায়ন ছাড়াও আবেদনকৃত ঋণের উদ্দেশ্য, ব্যবহার পরিকল্পনা, সম্ভাব্য ঋণ পরিশোধ প্রস্তাব ইত্যাদি ফলপ্রসু বিশ্লেষণের মূল বিবেচ্য।

ঋণ বিশ্লেষণ [ Credit Analysis ]

ঋণ বিশ্লেষণ [ Credit Analysis ]

ঋণ প্রাপ্যতা খতিয়ে দেখার প্রধান দিকসমূহ নিম্নরূপ :

  •  ভাবী ঋণগ্রহীতার আর্থিক তথা ঋণ সংক্রান্ত লেনদেনের ইতিহাস
  • ভাবী ঋণগ্রহীতার চারিত্রিক খবরাখবর ঋণ ব্যবহার ক্ষমতা
  •  আবেদনকারীর অনুরোধ্য ঋণ ফেরৎ দেয়ার ক্ষমতা
  • আবেদনকারী পরিকল্পনাকালীন সময়ে কোন সমস্যার সম্মুখীন হলে তার বিদ্যমান পুঁজির ভূমিকা নিরুপন
  • আবেদনকারীর ঋণ ফেরৎ দেয়ার ক্ষমতার উপর বর্তমান ও পরিকল্পনাকালীন সময়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অবস্থার প্রভাব
  • কোন বিশেষ ঝুঁকির উপাদান বা সূত্র যা সময়ে সময়ে আবেদনকারীর নগদ প্রবাহে প্রতিকূল প্রতি দ্বারা তাকে ঋণখেলাপী হতে বাধ্য করতে পারে।

উপরোক্ত বিষয়সমূহ নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে পরিষ্কার করাকেই ঋণ বিশ্লেষণ বলা যেতে পারে।

 বিশ্লেষণ ধাপসমূহ :

ঋণ প্রস্তাবসমূহ যুক্তিযুক্ত যাগ মেনে বিশ্লেষণ করা আবশ্যক। পর পর সর্বমোট যে আটটি ধাপ মেনে বিশ্লেষণ করতে হয় সে গুলো নিম্নরূপ :

(১) ভাবী ঋণগ্রহীতা সংক্রান্ত মৌলিক তথ্য সংগ্রহ

(২) আবেদনকৃত ঋণ সংক্রান্ত মৌলিক তথ্য সংগ্রহ :

(৩) ঝুঁকির প্রাথমিক পুনরীক্ষণসহ চূড়ান্ত বিশ্লেষনের লক্ষ্যে অধিকতর তথ্যের ধারণ ও ব্যাপ্তি সনাক্তকরণ;

(৪) অধিকতর পরিপূর্ণ তথ্য আহরণ;

(৫) সংবেদনশীল তথ্যসমূহ যাচাই করণ:

(৬) ঝুঁকির সূক্ষ্মতর বিশ্লেষণ :

(৭) বিশ্লেষণ ভিত্তিক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ;

(৮) ইতিবাচক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঋণের কাঠামো প্রণয়ন।

উপরোক্ত বিশ্লেষণের ধাপসমূহের পর্যায় ক্রমে সংক্ষেপে আলোচনা করা গেল :

(১) ভাবী ঋণ গ্রহীতা সংক্রান্ত মৌলিক তথ্য সংগ্রহ :

আবেদনকারীর উল্লেখিত ব্যবসায়ের অতীত ও বর্তম আর্থিক বিবরণী থেকে আবেদনকারী সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা ভাবী ঋণগ্রহীতার চারিত্রিক খবরাখ বিশ্লেষণ, ঋণ গ্রহীতা কোন অসামাজিক ক্রিয়াকর্মে জড়িত কিনা অর্থাৎ বাপ্পী – নারী ঘটিত ব্যাপারসমূহে জড়িত কিনা সে ব্যাপারে জেনে বিচার বিবেচনায় আনা।

ঋণ বিশ্লেষণ [ Credit Analysis ]

(২) আবেদনকৃত ঋণ সংক্রান্ত মৌলিক তথ্য সংগ্রহ :

আবেদনকারী যে উদ্দেশ্য সাধনের লক্ষ্যে আবেদন করেছে সে সম্পর্কে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে হবে।

১. ঋণ গ্রহীতার তথ্যাদি সংগ্রহ

২. ঋণ সংক্রান্ত তথ্যাদি সংগ্রহ

৩. প্রাথমিক ঝুঁকি সংক্রান্ত তথ্যাদি সংগ্রহ

৪ পূর্ণাঙ্গ তথ্যাদি সংগ্রহ

৫ সংবেদনশীল ঝুঁকির তথ্যাদি বিশ্লেষণ

৬. ঝুঁকির সুক্ষতর বিশ্লেষণ

৭.বিশ্লেষনণভিত্তি ক চূড়ান্ত বিশ্লেষন

৮. ইতিবাচক সিদ্ধান্ত ভিত্তিক সুপারিশকৃত ঋণের কাঠামো

আবেদনকৃত ঋণের পরিমাণ কত অর্থাৎ যতটুকু পরিমাণ ঋণ নেয়ার ইচ্ছা পোষন করছে তা দিয়ে কি বাস্তবায়ন সম্ভব। আবেদনকারীর গৃহীত ঋণ পরিশোধ করার উৎসের খবরাখবর সংগ্রহ করতে হবে। আবেদনকারী যদি অতীত কালে কোনরূপ ঋণ সংগ্রহ করে থাকে তবে তার বর্তমান অবস্থা কিরূপ পর্যবেক্ষন করতে হবে। ঋণ সংগ্রহের বিপরীতে যে সমস্ত জামানত রাখার ইচ্ছা পোষন করছে তার বাজার মূল্য সম্পর্কে জ্ঞাত হতে হবে।

(৩) ঝুঁকির প্রাথমিক পুনরীক্ষণ সহ চূড়ান্ত বিশ্লেষণের লক্ষ্যে অধিকতর তথ্যের ধরন ও ব্যাপ্তি সনাক্তকরন।

আবেনদকারীর ব্যবসায়ের প্রতি নিষ্ঠা ও একাগ্রতা অভিজ্ঞতা ও আর্থিক লেনদেনের ইতিহাস ও ব্যব হিসেবে সুনামের রেকর্ড মূল্যায়ন করে দেখা।

  • সামগ্রীকভাবে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি নিরাপন করে দেখা।
  • ব্যবসায় পরিচালনা ধারায় পরিলক্ষিত ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক সমূহ সনাক্তকরণ ও এগুলোর বিস্তারিত ব্যাখ্যা সংগ্রহ করা।
  • ব্যবসায়ের ঐতিহাসিক চাহিদার আলোকে নগদ প্রবাহের ইতিবাচক দিক ও স্থিতিশীলতার সম্ভাব্যতা মুল্যায়ন করা।
  • আবেদনকৃত ঋণ ও তা ফেরৎ প্রদান প্রস্তাবের আলোকে ব্যবসায়ের ভাবী প্রয়োজন বিবেচনা করা।
  • আবেদনকৃত ক্ষন ব্যবহার করলে ব্যবসায়ীর উদ্বৃত্ত পত্রে সম্ভাব্য প্রভাব নিরূপন করা।
  • উপরোক্ত ঝুঁকির প্রগাঢ়তা নির্ণয় করে পরবর্তী পদক্ষেপ ইঙ্গিত করা।
  • নির্ণীত ঝুঁকি ধারায় পরিবর্তনের সম্ভাবনা ও ব্যাপ্তি নির্ণয় করা।

(৪) অধিকতর পরিপূর্ণ তথ্য আহরণ

প্রস্তাবিত স্বপ্ন সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ সংগ্রহকরণ।

  • আবেদনকারীর সম্পর্কে বিশদ ধারনা সংগ্রহকরণ।
  • ব্যবসায়ের ক্রিয়াকলাপের গতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ।
  • ব্যবসায়ের সাধারণ আর্থিক উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ।
  • পূর্বাভাস সহ প্রয়োজনীয় সম্পূরক আর্থিক তথ্য আহরণ ও বিশ্লেষন।

(৫) সংবেদনশীল তথ্য সমূহ যাচাই করণ।

  • প্রস্তাবিত ব্যবসায়ের স্থান পরিদর্শন
  • গতানুগতিক ব্যাংক-গ্রাহক ও অন্যান্য ব্যবসায় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সংগে লাভ সম্পর্কের বিস্তারি তথ্য সংগ্রহ।
  • ব্যবসায়ের আভ্যন্তরীণ পরিবেশ পর্যবেক্ষণ।
  • ব্যবসায়ে ক্রয়-বিক্রয় ও ধারে বিক্রয় আদায়ের হার তথা সরবরাহকারী থেকে যার সহায়তার সুযোগ লা সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়া।
  • নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণ।

(৬) ঝুঁকির সূক্ষ্মতম বিশ্লেষণ

  • প্রস্তাবিত ব্যবসায়ের মালিক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও মালিক শ্রমিক পৃথকভাবে প্রত্যেকের এবং সামগ্রি ভাবে সকলের
  • ব্যবসায়ের প্রতি নিষ্ঠা ও একাগ্রতা নিরাপন ও বিশ্লেষণ করা।
  • ব্যবসায়ের ব্যবস্থাপনার সাফল্য নিরাপন করে আবেনদকৃত ঋণ ফেরৎ দেওয়ার মানসিক দৃঢ়তা নি করে দেখা।
  • সম্ভাব্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি নিরাপন ও বিশ্লেষণ।
  • ব্যবসায় পরিচালনের ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকসমূহ সনাক্ত করে পরিমাপ করা।
  • প্রস্তাবিত ঋণ বিবেচনায় রেখে পরিচালনা সম্ভাবনা মূল্যায়ন করা।
  • প্রস্তাবিত প্রকল্প ব্যবসায়ের নগদান চাহিদার আলোকে অনুমতি মগদান প্রবাহের বলিষ্ঠ দিক চিহ্নিত করণ।
  • চলতি মূলধনের বর্তমান ও নিকট ভবিষ্যতের চাহিদা নিরাপন।
  • জামানত ও নিশ্চয়তার মাধ্যমিক নিরাপত্তা মূল্যায়ন।

(৭) বিশ্লেষন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ

  • আবেদনকৃত ঋণের আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক ঝুঁকির স্তর নির্ধারণ।
  • ঝুঁকি স্তর অগ্রহণযোগ্য হলে নেতিবাচক মন্তব্য সহ ঋণ প্রস্তাবে বিশ্লেষন সমাপ্ত করা।

(৮) ইতিবাচক সিদ্ধান্ত ঋণের কাঠামো প্রণয়ন।

  • ঝুঁকির পর্যালোচনার প্রেক্ষিতে আবেদনকৃত ঋণের ধরণ, মেয়াদ ও সুদ নির্ধারণ করা।
  • আবেদনকৃত ঋণের প্রস্তাবিত শর্তাবলী গ্রহণযোগ্য না হলে ঋণ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়া সমাপন করা।
  • ঋণ যথাযোগ্য কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাভ ।
  • গ্রহণযোগ্য শর্তাবলী নিয়ে আবেদনকারীর সংগে আলাপ-আলোচনা করা।
  • অনুমোদিত ঋণের জন্য প্রয়োজনীয় দলিল প্রস্তুত ও সংরক্ষণ।

ঋণ বিশ্লেষণ [ Credit Analysis ]

ঋণ বিশ্লেষনের দৃষ্টি (View Points of Credit Analysis)

ঋণ কার্যক্রম ব্যাংকের তথা বাণিজ্যিক ব্যাংকের জন্য একটি ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি ঝুঁকিপূর্ণ এ জন্য যে ঋণযোগ্য তহবিলের বেশীর ভাগই আমানতকারীদের নিকট থেকে সংগৃহীত অর্থাৎ ব্যাংক যে পরিমাণ টাকা ঋণ হিসেবে দিয়ে থাকে তা তহবিলের মালিককে চাহিবামাত্র ফেরৎ দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। সুতরাং অপরের টাকা ধার হিসেবে ঋণ দিয়ে যথাসময়ে ফেরৎ পাওয়া না গেলে ব্যাংক আমানতকারীদের রোষানলে পড়তে বাধ্য। আবার ঋণ কার্যক্রম ব্যাংকের মুনাফা অর্জনের সবচেয়ে বড় উপায়। অতএব আমানতকারীদের আস্থা অক্ষুণ্ণ রেখে ঋণ প্রদান করে মুনাফা অর্জনের প্রক্রিয়ার কোন নির্ভরযোগ্য বিকল্প নেই।

প্রদত্ত ঋণ ফেরৎ আসা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্যাংক অতিশয় সতর্কতার সহিত ঋণ ও ঋণগ্রহীতা সম্পর্কে খোঁজ খবর নিয়ে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিচার বিশ্লেষণ করে দেখে থাকে। এ বিচার বিশ্লেষণকেই ব্যাংকের ঋণ বিশ্লেষণ বা credit analysis বলা হয়ে ঋণ বিশ্লেষণের দৃষ্টিভঙ্গি বিভিন্ন ব্যাংক কর্মকর্তার দিক থেকে হলেও সকলেরই মূল লক্ষ্য একটি ঋণ আদায় নিশ্চিত করণ। ১৯৭৫ সনে Jack R Crigger নামক ব্যাংক বিশারদ তার প্রকাশিত গবেষনা প্রবন্ধ “An ocean of 5 Cs” ভিত্তিক ঋণ বিশ্লেষনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। এ বহুল প্রচলিত Five Cs দেশে বিদেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। CAMPARI PARSAR 0 5R ; নামক তিন ধরণের দৃষ্টিভঙ্গি একই লক্ষ্যে প্রয়োগ করা হয়।

চিত্রে যে চার ধরণের দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহারের মাধ্যমে সঠিকভাবে ঋণ বিশ্লেষণ করা হয়ে থাকে তা প্রদর্শিত হল :

CAMPARI

  1. C= Character চরিত্র
  2. A=Amout ঋণের পরিমাণ
  3. M=Means পরিশোধ উৎস
  4. P=Purpose উদ্দেশ্য
  5. A=Accountibility দায়িত্বশীলতা
  6. R=Risk ঝুঁকি
  7. I= Insurance বীমা

PARSAR

  1.  P=Purpose উদ্দেশ্য
  2. A=Amout পরিমাণ
  3. R= Reason ঘাটতির কারণ
  4. Source of Repayment পরিশোধের উৎস
  5. A= Ability ক্ষমতা
  6. R=Risk ঝুঁকি

5Cs

  1. Character চরিত্র
  2. Capacity ক্ষমতা
  3. Capital পুঁজি
  4. Collateral জামানত
  5. Condition অবস্থা

5Rs

  1. Responsibility দায়িতশীলতা
  2. Reliability বিশ্বাসযোগ্যতা
  3. Respectibility শদ্ধাপ্রপতা
  4. Resource সম্পদের উৎসত
  5. Return possibility আয়সম্ভবনা

 

উপরের চিত্রে চার ধরণের দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করা হলেও সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত হয়ে আসছে সি-ভিত্তিক বিশ্লেষণ। অপর তিন ধরণের দৃষ্টিভঙ্গি অপেক্ষাকৃত সাম্প্রতিক এবং সি-ভিত্তিক বিশ্লেষনের মত একই রাপ না হলেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। এদের প্রত্যেকটির আলাদা আলাদা বিশ্লেষণ পুনরাবৃত্তি হেতু বিরক্তির উল্লেক হতে পারে। সেহেতু অপর তিনটি ছাড়া কেবল সি-ভিত্তিক ঋণ বিশ্লেষণ দৃষ্টিভঙ্গির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি দেয়া হলঃ

ঋণ বিশ্লেষণ [ Credit Analysis ]

5-Cs সি সমূহ কি নির্দেশ করে কি রূপে নিরূপিত হয়
Character চরিত্র চুক্তির শর্ত মোতাবেক ঋণ আবেদনকারী ঋণ ফেরৎ দেবে কি? ক. ব্যাংকের সহিত অতীতের ঋণ লেনদেনের অভিজ্ঞতা

খ. অন্য ঋণ দাতার নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্যাদি

গ. দরখাস্তে উল্লেখিত তথ্যের নির্ভুলতা যাচাই।

Capacity ক্ষমতা ঋণ আবেদনকারীর চুক্তির শর্ত মোতাবেক ঋণ পরিশোধ করার ক্ষমতা আছে কি? ক. মাসিক আয় অর্থাগমনের চেয়ে কত বেশী।

খ আয় উৎসের নিশ্চয়তা ও স্থিতিশীলতা।

গ. আর্থিক অবস্থার স্থিতিশীলতা ।

ঘ. ইতিবাচক তারল্য অবস্থা ।

Capital পুঁজি ব্যবসায়ের প্রতিকূল অবস্থায় বিকল্প উৎস থেকে পুঁজি সংগ্রহ করে শর্ত মোতাবেক পরিশোধ করার ক্ষমতা আছে কি? ক নীট সম্পত্তির পরিমাণ

খ. এক মালিকী বা অংশীদারী কারবারের বেলায় ব্যক্তিগত সম্পত্তির পরিমাণ

গ. শেয়ার মালিকদের দাবী যোগ্য তহবিল

Collateral জামানত আবেদনকারী- ঋণ পরিশোধে অপারগ হলে জামানত বিক্রি লব্ধ অর্থ পূর্ণ ঋণ দাবী মেটাতে পর্যাপ্ত হবে কি? ক. ঋণ জামানত অনুপাতের হার

খ. সহজে বিক্রয় যোগ্যতা

Condition অবস্থা ব্যবসায়ের বর্তমান অর্থনৈতিক  অবস্থায় ঋণ গ্রহীতা ঋণ পরিশোধে কোন সমস্যার সম্ভাবনা আছে কি? ক. ঋণের মেয়াদাকালে সাধারণ অর্থনৈতিক অবস্থার পূর্বাভাস

খ. পূর্বাভাসকৃত অবস্থার প্রেক্ষিতে ঋণ আবেদনকারীর আয়ের উৎসের স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা।

আরও পড়ুনঃ

মন্তব্য করুন