ব্যাংক কোম্পানীর কার্যাবলী ৩ । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১

ব্যাংক কোম্পানীর কার্যাবলী ৩ । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১

ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১

ব্যাংক কোম্পানীর কার্যাবলী ৩ । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১

ব্যাংক কোম্পানীর কার্যাবলী ৩ । দ্বিতীয় খন্ড । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

৩০। সুদের হার সম্পর্কে আদালতের এখতিয়ার। আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যাংক-কোম্পানী এবং ইহার কোন দেনাদারের মধ্যে লেনদেনে ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক ধার্যকৃত সুদ অতিমাত্রায় বেশী ছিল এবং ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক পরিচালিত ব্যাংকের ব্যবসায়িক লেনদেন উচচ মুনাফা বা ভাড়ার হার ছিল শুধুমাত্র এই কারণেই উত্ত লেনদেনের বিষয়টি কোন আদালত কর্তৃক বিচার্য হইবে না।

৩১। ব্যাংক-কোম্পানীর লাইসেন্স।– (১) অতঃপর বর্ণিত ক্ষেত্র ব্যতীত, কোন কোম্পানী বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে প্রদত্ত লাইসেন্স ব্যতীত বাংলাদেশে কোন ব্যাংক ব্যবসা পরিচালনা করিতে পারিবে না। (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন লাইসেন্স প্রদানের সময় বাংলাদেশ ব্যাংক উহার বিবেচনায় সংগত যে কোন শর্ত আরোপ করিতে পারিবে।

(৩) এই অধ্যাদেশ প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান কোন ব্যাংক-কোম্পানী উক্ত প্রবর্তন হইতে ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে,

এবং অন্য কোন ব্যাংক-কোম্পানী বাংলাদেশে উহার ব্যাংক ব্যবসা আরম্ভ করিবার পূর্বে, এই ধারার অধীন লাইসেন্সের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট লিখিতভাবে আবেদন করিবে ।

তবে শর্ত থাকে যে, উপধারা (১) এর কোন কিছুই এই আইন প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যবসা চালাইয়া যাইতে কোন বাধা হিসাবে গণ্য হইবে না, যদি

(ক) এই ধারার অধীন উহার আবেদন বিবেচনাধীন থাকে, বা

(খ) লাইসেন্স মঞ্জুর করা যাইবে না এই মর্মে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক উহাকে নোটিশের মাধ্যমে জানাইয়া নেওয়া না

আরও শর্ত থাকে যে, ধারা ১৩(১) এ উল্লিখিত বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত ব্যাংক-কোম্পানী-কে এই আইন প্রবর্তনের দুই বৎসর, এবং উক্ত ধারায় উল্লিখিত বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানীকে উক্ত প্রবর্তনের ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে, বা উক্ত ধারার শর্তাংশ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বর্ধিত সময় অতিবাহিত হইবার পূর্বে, বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত নোটিশ প্রদান করিবেনা।

(৪) এই ধারার অধীন লাইসেন্স প্রদানের পূর্বে নিম্নবর্ণিত সকল বা কোন শর্ত পূরণ করা হইয়াছে কি না তৎসম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানীর নথিপত্র পরিদর্শনের মাধ্যমে বা অন্য কোনভাবে বাংলাদেশ ব্যাংককে সন্তুষ্ট হইত হইবে, যথা :-

(ক) কোম্পানী উহার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ আমানতকারীদের দাবী পূর্ণভাবে মিটাইতে সক্ষম

(খ) কোম্পানীর কাজকর্ম উহার বর্তমান বা ভবিষ্যৎ আমানতকারীদের মার্থের পরিপন্থী পস্তুতিতে পরিচালিত হইতেছে না বা হইবার সম্ভাবনা নাই:

(গ) বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, কোম্পানী যে দেশে নিবন্ধনকৃত সে দেশের সরকার বা আইন কোম্পানীটিকে সেই সকল সুবিধা প্রদান করে যেই সব সুবিধা বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত কোন কোম্পানীকে বাংলাদেশ সরকার বা বাংলাদেশী আইন প্রদান করে, এবং কোম্পানীটি, এই আইনের যে সকল বিধান বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত কোম্পানীর ব্যাপারে প্রযোজ্য সে সকল বিধান মানিয়া চলে।

ব্যাংক কোম্পানীর কার্যাবলী ৩ । দ্বিতীয় খন্ড । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

(৫) এই ধারার অধীন কোন ব্যাংক-কোম্পানীকে প্রদত্ত লাইসেন্স বাংলাদেশ ব্যাংক নিম্নলিখিত কারণে বাতিল করিতে পারে,

(ক) যদি উক্ত কোম্পানী বাংলাদেশে উহার ব্যাংক ব্যবসা বন্ধ করিয়া দেয়

(খ) যদি কোন সময় উপ-ধারা (১) এর অধীনে আরোপিত কোন শর্ত উক্ত কোম্পানী পালন করিতে ব্যর্থ হয় বা

(গ) যদি কোন সময় উক্ত কোম্পানী উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত কোন শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়ঃ তবে শর্ত থাকে যে, দফা (খ) ও (গ) এর অধীন কোন লাইসেন্স বাতিল করিবার পূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, তৎকর্তৃক নির্ধারিত শর্তাধীনে উক্ত দফাসমূহের বিধানাবলী পালন বা পূরণ করিবার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ প্রদানজনিত বিলম্ব উক্ত কোম্পানীর আমানতকারীদের বা জনস্বার্থের পরিপন্থী হইবে না, তাহা হইলে উক্ত বিধানাবলী পালন বা পূরণ করিবার সুযোগ দিবে ।

(৬) এই ধারার অধীন কোন ব্যাংক-কোম্পানীর লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তের ফলে কোন ব্যাংক-কোম্পানী সংক্ষুদ্ধ হইলে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত উহাকে গোচরীভূত করিবার তারিখের ত্রিশ দিনের মধ্যে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী সরকারের নিকট আপীল দায়ের করিতে পারিবে।

(৭) উপ-ধারা (৬) এর অধীনে সরকারের নিকট কোন আপীল দায়ের করা হইলে, উহার উপর সরকারের সিদ্ধান্ত বা, কোন আপীল দায়ের করা না হইলে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।

৩২। নুতন ব্যবসা কেন্দ্র চালু বা বর্তমান ব্যবসা কেন্দ্র স্থানান্তরের উপর বাধা-নিষেধ।- (১) বাংলাদেশ ব্যাংকের লিখিত পূর্ব অনুমোদন ব্যতিরেকে

(ক) কোন ব্যাংক-কোম্পানী বাংলাদেশের কোথাও কোন নুতন ব্যবসা কেন্দ্র চালু করিবে না এবং বিদ্যমান ব্যবসা কেন্দ্রের স্থান পরিবর্তন করিবে না এবং

(খ) বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানী বাংলাদেশের বাহিরে কোন নুতন ব্যবসা কেন্দ্র চালু করিবে না এবং বাংলাদেশের বাহিরে বিদ্যমান ব্যবসা কেন্দ্রের স্থান পরিবর্তন করিবে না। (২) কোন প্রদর্শনী, মেলা, সম্মেলন বা অনুরূপ অন্য কোন অনুষ্ঠান উপলক্ষে জনসাধারণকে সাময়িকভাবে ব্যাংকের সেবা অনধিক এক মাসের জন্য নুতন ব্যবসা কেন্দ্র করা হইলে সেই ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে না :

তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ব্যবসা চালু করিবার এক সপ্তাহের মধ্যে তৎসম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাইতে হইবে ।

(৩) কোন ব্যাংক-কোম্পানীকে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অনুমতি প্রদানের পূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনবোধে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর কোন বিষয়ে ধারা ৪৪ এর অধীন পরিদর্শনের মাধ্যমে বা অন্য কোনভাবে জানাইয়া দিতে পরিবে ।

৩৩। সহজে বিনিময়যোগ্য সম্পদ সংরক্ষণ। (১) প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানী চলতি বাজার দরে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এই পরিমাণ নগদ অর্থ বা বর্ণ বা দায়মুক্ত অনুমোদিত সম্পত্তি-নিদর্শন-পত্র সংরক্ষণ করিবে যাহার মূল্য উহার যে কোন দিবসের সমাপ্তিতে উহার সমুদয় মেয়াদী ও চাহিবামাত্র পায়ের বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত হারের কম হইবে

ব্যাখ্যা :- এই ধারায় দায়হীন অনুমোদিত সম্পত্তি-নিদর্শন-পত্র” বলিতে এইরূপ সম্পত্তির অনুমোদিত নিদর্শন-পরকেও বুঝাইবে, যাহা উক্ত ব্যাংক কর্তৃক কোন অগ্রিম বা অন্যবিধ ঋণ গ্রহণের উদ্দেশ্যে অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট র তবে এইরূপ নিদর্শন-পত্রের মূল্যের সেই পরিমাণ এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হইবে যে পরিমাণ অর্থ উক্ত নিদর্শন-পত্রের বিপরীতে করা হয় নাই।

(২) বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক ধারা ১৩(৩) এর অধীন বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা অর্থ এবং কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাংলাদেশ ব্যাংক বা উহার কোন প্রতিনিধি ব্যাংক বা উভয়ের নিকটে চলতি হিসাবে জমা অর্থ এবং বা বাংলাদেশ ব্যাংকে লাভ-ক্ষতির ভাগাভাগি ভিত্তিতে জমা হিসাবে রক্ষিত অর্থ উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অর্থ গণনার ক্ষেত্রে নগদ অর্থ হিসাবে গণ্য হইবে।

(৩) সম্পদ ও দায় নিরূপণ পদ্ধতি এবং শ্রেণীভিত্তিতে সংরক্ষণযোগ্য সম্পদের অনুপাত বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে,

(৪) প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানী প্রতিটি মাস শেষ হইবার পূর্বে উহার পূর্ববর্তী মাসের একটি বিবরণী, যাহাতে নিম্নলিখিত তথ্যাদি থাকিবে, নির্ধারিত ফরমে ও পদ্ধতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট প্রেরণ করিবে, যথা :-

(ক) এই ধারা মোতাবেক সংরক্ষিত উহার সম্পদ এবং (খ) মাসের প্রতি বৃহস্পতিবারের সমাপ্তিতে এবং কোন বৃহস্পতিবার Negotiable Instruments Act, 1881 (XXvi of 1881) এর অধীনে সরকারী ছুটির দিন থাকিলে, উহার পূর্ববর্তী কার্যদিবসের সমাপ্তিতে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে উহার মেয়াদী ও চাহিবামাত্র দায়।

(৫) যদি বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন ব্যাংক-কোম্পানী নির্ধারিত বিনিময়যোগ্য সম্পদ সংরক্ষণ করিতে কোন সময়ে ব্যর্থ হইয়াছে, তাহা হইলে উক্ত কোম্পানী উল্লিখিত সম্পদের ঘাটটির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ঋণ প্রদানের জন্য ধার্যকৃত সুদের সর্বোচচ হারে জরিমানা দিতে বাধ্য থাকিবে।

৩৪ । বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ সম্পদ। (১) যে কোন কার্য দিবসের সমাপ্তিতে প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানীর বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ সম্পদের মূল্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে উহার বিদ্যামান মেয়াদী ও চাহিবামাত্র দায়ের সেই পরিমাণ অপেক্ষা কম থাকিবে না বা যাহা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, নির্ধারিত শর্তাংশ কোন অবস্থাতেই উক্ত দায়ের ৮০% এর বেশী হইবে না।

ব্যাংক কোম্পানীর কার্যাবলী ৩ । দ্বিতীয় খন্ড । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

(২) প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানী, প্রতিটি মাস শেষ হইবার পূর্বে, উহার পূর্ববর্তী মাসের একটি বিবরণী, যাহাতে নিম্নলিখিত তথ্যাদি থাকিবে, নির্ধারিত ফরমে ও পদ্ধতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট দাখিল করিবে, যথা :-

(ক) এই ধারা মোতাবেক উহার সংরক্ষিত সম্পদ।

(খ) মাসের প্রতি বৃহস্পতিবারের সমাপ্তিতে এবং কোন বৃহস্পতিবার পতিবার Negotiable Instruments Act, 1881 (XXVI of 1881) এর অধীনে সরকারী ছুটির দিন থাকিলে, উহার পূর্ববর্তী কার্যদিবসের সমাপ্তিতে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে উহার মেয়াদী ও চাহিবামাত্র দায়।

(৩) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে-

(ক) নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোন বিল বা জামানত বাংলাদেশের বাহিরে ধারণকৃত হওয়া সত্বেও উহা বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ সম্পদ বলিয়া গণ্য হইবে, যদি-

(অ) বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত মুদ্রায় কোন রপ্তানী বিল বাংলাদেশে দাবীকৃত হয় বা কোন আমদানী বিল বাংলাদেশে দাবীকৃত ও পরিশোধযোগ্য হয় এবং (আ) কোন সম্পত্তি-নিদর্শন-পত্র বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত হয় :

তবে শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে কোন সম্পদকে যদি যথার্থ অর্থে সম্পদ বলিয়া গণ্য করা না যায়, তাহা হইলে উহা উত্তরূপ সম্পদ বলিয়া গণ্য হইবে না।

(গ) বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দায়” অর্থে আদায়কৃত ও সংরক্ষিত মূলধন বা ব্যাংক-কোম্পানীর লাভ-ক্ষতির হিসাবে। উল্লিখিত ঋণ অন্তর্ভূক্ত হইবে না।

৩৫। অদাবীকৃত আমানত এবং মূল্যবান সামগ্রী। (১) যেক্ষেত্রে

(ক) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর কোন বাংলাদেশী শাখায় সরকার, নাবালক বা আদালতের অর্থ ব্যতীত অন্য কাহারো বাংলাদেশী মুদ্রায় পরিশোষযোগ্য অর্থের ব্যাপারে নিম্নে উল্লিখিত তারিখ হইতে দশ বৎসর পর্যন্ত যোগাযোগ করা না হয়ঃ-

(অ) নির্দিষ্ট মেয়াদী আমানতের ক্ষেত্রে, উক্ত মেয়াদ অতিক্রান্ত হইনার তারিখ হইতে, এবং

(আ) অন্য কোন আমানতের ক্ষেত্রে, সর্বশেষ লেনদেন বা হিসাব বিবরণীর সর্বশেষ প্রাপ্তি স্বীকার বা উক্ত বিবরণীর জন্য সর্বশেষ অনুরোধের তারিখ হইতে বা

(খ) কোন আমানতের উপর প্রদেয় ডিভিডেন্ড, বোনাস, লাভ বা পরিশোধযোগ্য অন্য কোন অর্থ যে তারিখে প্রদানযোগ্য বা মাহীযোগ্য হয় সে তারিখ হইতে দশ বৎসর পর্যন্ত অপরিশোধকৃত থাকে, বা দাবী করা না হয় বা

(গ) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর এক শাখা কর্তৃক উহার জন্য শাখার নিকট বাংলাদেশী মুদ্রায় পরিশোষযোগ্য চেক, ড্রাফট বা বিনিময় দলিল, প্রেরণ করা হইলে, উঃ চেক, ড্রাফট বা দলিল ইস্যু, প্রত্যয়ন বা গ্রহণ করার তারিখ হইতে দশ বৎসর পর্যন্ত উহাদের বাবদ অর্থ প্রদান না করা হয় বা

(ঘ) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর নিরাপদ জিম্মায় রক্ষিত অনুমোদিত সম্পত্তি নিদর্শন-পত্র, শেয়ার, পণ্য বা কোন মূল্যবান সামগ্রী, অতঃপর যৌথভাবে এবং এককভাবে মূল্যবান সামগ্ৰী বলিয়া উল্লিখিত, আমানতকারী কর্তৃক সর্বশেষ পরিদর্শন বা স্বীকৃতি প্রদানের তারিখ হইতে দশ বৎসর পর্যন্ত পরিদর্শিত বা স্বীকৃত না হয়

সেই ক্ষেত্রে উক্ত অর্থ, চেক, ড্রাফট বা বিনিময় দলিলের পাওনাদার বা পাওনাদারের পক্ষে কোন ব্যক্তিকে এবং মূল্যবান সামগ্রীর আমানতকারীকে তাহার দেওয়া বা প্রেরিত সর্বশেষ ঠিকানায় প্রেরিত ব্যাংক-কোম্পানীর প্রাপ্তি স্বীকার রশিদসহ রেজিস্ট্রিকৃত ডাকযোগে তিন মাসের লিখিত নোটিশ প্রেরণ করিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত নোটিশ প্রেরণের তিনমাস অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও যদি উহার প্রাপ্তি স্বীকার পত্র বা কোন উত্তর না আসে, তাহা হইলে উক্ত কোম্পানী, ক্ষেত্রমত, নিম্নরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে, যথা :-

(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অর্থের ক্ষেত্রে সুদসহ উক্ত অর্থের সমপরিমাণ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রদান করিবে।

(খ) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত চেক, ড্রাফট বা বিনিময় দলিলের ক্ষেত্রে, উহা উপস্থাপিত হইলে যে পরিমাণ অর্থ, সুদ থাকিলে তাহা সহ, উক্ত ব্যাংক কর্তৃক প্রদেয় হইত, সেই পরিমাণ অর্থ ও সুন বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রদান করিবে

(গ) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত মূল্যবান সামগ্রীর ক্ষেত্রে, উহা যে দেনা, দলিল বা ব্যবস্থাধীনে উক্ত ব্যাংক- কোম্পানীর জিম্মায় রক্ষিত আছে সেই নেনা, দলিল বা ব্যবস্থার শর্ত মোতাবেক বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট হস্তান্তর করিবে এবং অনুরূপভাবে প্রদান বা হস্তান্তরের পর উক্ত অর্থ, চেক, ড্রাফট বা বিনিময় দলিল বা মূল্যবান সামগ্রী সম্পর্কে উক্ত কোম্পানীর আর কোন দায় দায়িত্ব থাকিবে না।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীনে প্রদেয় নোটিশ,

(ক) কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, উহার যে কোন সদস্য বা ম্যানেজারের নিকট, কোন হিন্দু যৌথ পরিবারের ক্ষেত্রে, উহার কোন প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের নিকট, এবং ব্যক্তি সমন্বয়ে গঠিত অন্য কোন সমিতির ক্ষেত্রে, উহার মুখ্য কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করা যাইবে

(খ) উহার প্রাপক কর্তৃক যথাযথভাবে ক্ষমতা প্রদত্ত প্রতিনিধিকে বা, উক্ত প্রাপক মৃত হইলে, তাহার বৈধ প্রতিনিধিকে বা উক্ত প্রাপক দেউলিয়া ঘোষিত হইয়া থাকিলে, তাঁহার যত্ন নিয়োগীকে, প্রদান করা যাইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, প্রাপক কর্তৃক প্রতিনিধি নিয়োগের বা প্রাপকের মৃত্যু বা তাহার দেউলিয়া ঘোষিত হইবার ব্যাংক-কোম্পানীর গোচরে থাকিতে হইবে-

(গ) চেক বা ড্রাফট বা বিনিময় বিলের যুগ্ম-পাওনাদার বা একাধিক সুবিধা প্রাপক থাকিলে, বা মূল্যবান সামগ্রী একাধিক ব্যক্তির নামে রক্ষিত থাকিলে, তাহাদের যে কোন একজনকে প্রদান করা হইলে সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রদান করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

(ঘ) উহার খাম বা আবরনীটিকে যথাযথভাবে প্রাপকের ঠিকানা লিখিত, ডাক টিকেট লাগানো এবং উহা ডাক বাক্সে ফেলা হইয়া থাকিলে, উক্ত নোটিশ অন্য কোন ব্যাক্তির নিকট পৌঁছানো সত্ত্বেও অথবা উহার প্রাপকের মৃত্যু, মস্তিষ্ক-বিকৃতি, বা দেউলিয়া হওয়া সত্ত্বেও, যদি ব্যাংক-কোম্পানী উক্ত বিষয়ে নোটিশ প্রদানের পূর্বে অবহিত না হইয়া থাকে, অথবা নোটিশ সম্বলিত উক্ত খামটি বা আবরণীটি ডাক বিভাগ কর্তৃক “প্রাপককে পাওয়া গেলনা” এই মর্মে বা অনুকূপ অন্য কোন মর্মে কোন বিবৃতি লিপিবদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও, উরু খাম বা আবরনী যে তারিখে ডাক বাক্সে ফেলা হয়েছিল সেই তারিখের পর হইতে পনের দিন পরে, উক্ত নোটিশ যথাযথভাবে জারী হইয় বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পক্ষে লিখিত কোন চিঠির উপর ঠিকানা লেখা, ডাক টিকেট লাগানো এবং উহা ডাকযোগে প্রেরণের জন্য দায়িত্ব সম্পন্ন কর্মচারীর দস্তখতে যদি এই মর্মে প্রভায়ন থাকে যে, উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রসের নোটিশ সম্বলি খামে বা আবরণীটিতে যথাযথভাবে ঠিকানা লেখা বা ডাক টিকিট লাগানো হওয়ার পর উহা ডাক বাক্সে ফেলা হইয়াছে, তাহা হইলে অনুরূপ প্রকাচন উত্ত নোটিশ প্রদানের বিষয়ে চূড়ান্ত সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হইবে।

(৫) কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক বাংলাদেশ ব্যাংককে উপ-ধারা (২) এর অধীনে অর্থ প্রদানের সংগে সংগে সংশ্লিষ্ট ক্ষণের শর্তাবলীতে বা কোন দলিলে বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ কোন বিধান থাকা সত্ত্বেও, উক্ত অর্থের উপর কোন সুন প্রদেয় বা লাভ-ক্ষতি গণনা করা হইবে না।

(৬) কোন ব্যাংক-কোম্পানী বাংলাদেশ ব্যাংককে উপ-ধারা (২) এর অধীনে কোন অর্থ প্রদান বা দলিল বা মুল্যবান সা হস্তান্তরের পর উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী এতদসংক্রান্ত মাক্ষর কার্ড, মাক্ষরের কর্তৃত্ব সম্পর্কিত দলিল এবং অন্যান্য দলিল সংরক্ষণ করিবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক হইতে অনুরূপ সংরক্ষণের প্রয়োজন নাই বলিয়া না জানানো পর্যন্ত উহাদিগকে অব্যাহতভাবে সংরক্ষণ করিবে।

ব্যাংক কোম্পানীর কার্যাবলী ৩ । দ্বিতীয় খন্ড । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

(৭) Limitation Act, 1908 (IX of 1908) বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনের কোন কিছুই বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি উপ-ধারা (২) এর অধীন কোন ব্যাংক-কোম্পানীর দায় ক্ষুন্ন করিবে না।

(৮) উপ-ধারা (১) অনুসারে, গণনা করিয়া দশ বৎসর অতিবাহিত হইবার পর যে সব দাধীহীন অর্থ ও মুল্যবান সামগ্রী অপরিশোধিত, বা ক্ষেত্রমত, অফের অবস্থায় কোন ব্যাংক-কোম্পানীর নিকট থাকে, উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী, প্রত্যেক পঞ্জিকা বৎসর শেষ হইবার ত্রিশ দিনের মধ্যে, বিধিদ্বারা নির্ধারিত ফরমে ও পদ্ধতিতে, সেই সকল অর্থ বা সামগ্রীর একটি বিবরণী বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট দাখিল করিবে।

(৯) উপধারা (২) এর অধীনে যে সকল অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত হইবে, উহাদের একটি তালিকা উক্ত ব্যাংক, সরকারী গেজেটে এবং অন্যূন দুইটি দৈনিক পত্রিকায়, প্রতি তিন মাসে একবার করিয়া এক বৎসর ধরিয়া প্রকাশ করিবে :

তবে শর্ত থাকে যে, সরকার কর্তৃক যদি এই মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, তৎকর্তৃক নির্ধারণকৃত কোন অর্থ বা মূল্যবান সামগ্রীর জন্য তালিকা প্রকাশ করার প্রয়োজন নাই, তাহা হইলে অনুরূপ দাবীহীন অর্থ বা সামগ্রীর জন্য তালিকা প্রকাশ করার প্রয়োজন হইবে না।

(১০) যে ব্যাংক-কোম্পানী উপ-ধারা (২) এর অধীন কোন অর্থ বা মূল্যবান সামগ্রী বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকটি জমা রাখে সেই ব্যাংক-কোম্পানী, অনুরূপভাবে জমা রাখিবার পর হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের উক্ত অর্থ বা সামগ্রীর উপর পূর্বস্বত্ব বা পাল্টানারী বা উহাকে পৃথক করিয়া রাখার দাবী করিতে পারে।

(১১) উপ-ধারা (২) এর অধীন জমাকৃত অর্থ বা হস্তান্তরিত মুল্যবান সামগ্রীর অধিকারী বলিয়া কোন ব্যক্তি দাবী করিলে তিনি তাঁহার দাবী বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট উপস্থাপন করিতে পরিবেন।

(১২) উপ-ধারা (১০), (১৩) ও (১৫) এর বিধানাবলী সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১০) ও উপ-ধারা (১১) এর অধীন উত্থাপিত দাবীর উপর বাংলাদেশ ব্যাংক তৎকর্তৃক সমীচীন বলিয়া বিবেচিত আদেশ প্রদান করিতে পারিবে, এবং উপ-ধারা (১১), অধীন উপস্থাপিত কোন দাবীর প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক কোন অর্থ প্রদান বা মূল্যবান সামগ্রী বিলি করিলে উহার গ্রহীতার প্রাপ্তি রশিদ। ঐ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্ব মোচন করিবে।

(১৩) বাংলাদেশ ব্যাংকে উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রদত্ত অর্থ বা হস্তান্তরিত মূল্যবান সামগ্রী সম্পর্কে অনুরূপ প্রদান বা হস্তান্তরের পর হইতে এক বছরের মধ্যে যদি কোন বিরোধ কোন আদালতে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকে এবং উক্ত বিরোধ সম্পর্কে আদালত হইতে বা অন্য কোন সূত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক অবহিত হয়, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত অর্থ বা সামগ্রী নিজের তত্ত্বাবধানে রাখিবে এবং আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেক উহার বিলি বন্দোবস্ত করিবে।

(১৪) উপ-ধারা (১০), (১৩) এবং (১৫) এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রদত্ত অর্থ বা হস্তান্তরিত মূল্যবান সামগ্রী বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত হওয়ার পর হইতে এক বৎসরের মধ্যে উক্ত অর্থ বা সামগ্রী সম্পর্কে যদি কোন নারী। উত্থাপিত না হয় বা কোন তরফ হইতে বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করা না হয়, তাহা হইলে উক্ত এক বৎসর অতিবাহিত হইবার পর হইতে উচ্চ অর্থ বা সামগ্রীর উপর কাহারো কোন নারী থাকিবে না এবং উহা সরকারের সম্পত্তি হইবে এবং সরকারের উপর ন্যস্ত হইবে।

(১৫) কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক চেক, ড্রাফট বা বিনিময় বিলের কোন পাওনাদার বা সুবিধা প্রাপককে বা যে ব্যক্তির নামে কোন মূল্যবান সামগ্রী রহিয়াছে সেই ব্যক্তিকে নোটিশ প্রদানের সম্পর্কে উপ-ধারা (১) এ বা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনাবীকৃত অর্থ বা মূল্যবান সামগ্রী প্রকাশ সম্পর্কে উপ-ধারা (৯) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আপততঃ বাংলাদেশে বসবাস না করার ক্ষেত্রে কোন ঋণ, দলিল বা মূল্যবান সামগ্রীর বিলি বন্দোবস্তের ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতি ও নিয়মাবলী অনুসরণ করিতে হইবে।

(১৬) উপ-ধারা (২) এর অধীন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত কোন অর্থ বা মূল্যবান সামগ্রীর ব্যাপারে কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পূর্বমত্ব, পাল্টা দাবী বা পৃথক করিয়া রাখার দাবী অনুমোদন, পুরণ বা অন্য কিছু, বা ক্ষেত্রমত, কোন ব্যক্তির অধিকার সম্পর্কিত বিষয়ে উপ-ধারা (১২) মোতাবেক বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে, এবং উক্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে, উপ-ধারা (১৭) তে বিধৃত পদ্ধতি ব্যতীত অন্য কোনভাবে কোন আদলত, ট্রাইবুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষের সম্মুখে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা চলিবে না।

(১৭) বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক উপ-ধারা (১২) এর অধীন প্রদত্ত কোন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ কোন ব্যক্তি উত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে, সিদ্ধান্ত প্রদানের তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে, উক্ত ব্যাংকের গভর্ণর কর্তৃক নির্দিষ্ট কোন কর্মকর্তা, যিনি সিদ্ধান্ত প্রদানকারী কর্মকর্তা অপেক্ষা উচচতর পদমর্যাদা সম্পন্ন হইবেন, এর নিকট আপীল দায়ের করিতে পরিবেন।

(১৮) উপ-ধারা (১০) বা (১১) এর অধীন উত্থাপিত কোন দাবী বা উপ-ধারা (১৭) এর অধীন দায়েরকৃত কোন আপীল মীমাংসা বা নিস্পত্তির ক্ষেত্রে, বাংলাদেশ ব্যাংক বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করিবে এবং কোন মামলার বিচারের ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত বিষয় সমূহে বাংলাদেশ ব্যাংক ঐ সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করিবে যে সকল ক্ষমতা Code of Civil Procedure, 1908 (Act V of 1908) এর অধীন কোন দেওয়ানী আদালতের রহিয়াছে, যথা :-

(ক) কোন ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং শপথের মাধ্যমে তাঁহার সাক্ষ্য গ্রহণ

(খ) বাধ্যতামূলকভাবে দলিল এবং অন্যান্য বন্ড উপস্থাপন

(গ) সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগ

(১৯) এই ধারার অধীন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নিষ্পত্তিযোগ্য কোন কার্যধারা Penal Code, 1850 (Act XLV of 1860) এর Section 228 এর বিধান মোতাবেক judicial proceeding হিসাবে গণ্য হইবে এবং এই ধারার অধীন উক্ত কোন কার্যধারার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898 ) এর Section 480 বিধান মোতাবেক একটি Civil Court হিসাবে গণ্য হইবে।

(২০) এই ধারার অধীন কোন কার্যধারায় কোন দলিল দাখিল, প্রদর্শন বা লিপিভুক্ত করার জন্য বা বাংলাদেশ ব্যাংক হইতে কোন দলিল গ্রহণের জন্য কোন কোর্ট ফি প্রদান করিতে হইবে না।

ব্যাংক কোম্পানীর কার্যাবলী ৩ । দ্বিতীয় খন্ড । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

৩৬। ষাম্মাসিক বিবরণী ইত্যাদি।- (১) প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানী বাংলাদেশে উহার সম্পদ ও দায় সম্পর্কে একটি বিবরণী প্রতি অর্থ বৎসরের ৩১শে ডিসেম্বর এবং ৩০শে জুন তারিখে বিধিদ্বারা নির্ধারিত ফরম ও পদ্ধতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট দাখিল করিবে ।

(২) বাংলাদেশ ব্যাংক লিখিত নোটিশ দ্বারা সাধারণভাবে সকল ব্যাংক-কোম্পানীকে এবং বিশেষ ভাবে কোন ব্যাংক-কোম্পানীকে তৎকর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উহাদের দ্বারা পরিচালিত অন্য কোন ব্যবসাসহ ব্যাংক ব্যবসা সম্পর্কিত তথ্যাদি দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারিবে।

(৩) উপ-ধারা (২) তে প্রদত্ত ক্ষমতার সমাগ্রিকভাবে ক্ষুন্ন না করিয়া, বাংলাদেশ ব্যাংক সময় সময় শিল্প, বাণিজ্য ও কৃষি বিবরণী ও ক্ষেত্রে ব্যাংক-কোম্পানীর বিনিয়োগের উপর তথ্য আহবান করিতে পারিবে।

৩৭। তথ্যাদি প্রকাশের ক্ষমতা। জনস্বার্থে প্রয়োজন মনে করিলে বাংলাদেশ ব্যাংক এই আইনের অধীন সংগৃহীত ৩০ দিনের অধিক সময় অনাদায়ী ঋণ বা অগ্রিম সম্পর্কিত কোন তথ্য একীভূত অবস্থায় বা অন্য কোনভাবে প্রকাশ করিতে পারিবে।

আরও পড়ুনঃ

মন্তব্য করুন