ব্যাংক কোম্পানীর কার্যাবলী ৪ । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১

ব্যাংক কোম্পানীর কার্যাবলী ৪ । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১

ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১

ব্যাংক কোম্পানীর কার্যাবলী ৪ । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১

ব্যাংক কোম্পানীর কার্যাবলী ৪। দ্বিতীয় খন্ড । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

৩৮। হিসাব ও ব্যালেন্স সীট। (১) বাংলাদেশে বা বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানী কোন অর্থ বৎসর অতিবাহিত হইবার পর উক্ত বৎসরে উহা বা উহার শাখা কর্তৃক, কৃত ব্যবসা সম্পর্কে একটি ব্যালান্সসীট ও লাভ ক্ষতির হিসাব এবং আর্থিক প্রতিবেদন বৎসরের শেষ কার্যদিবসে যেভাবে দাঁড়ায় সেইভাবে প্রথম তফসিলের ফরমে, যতদুর সম্ভব, প্রস্তুত করিবে।

(২) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যালেন্স সীট, লাভ-ক্ষতির হিসাব এবং আর্থিক প্রতিবেদন-

(ক) বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, উহার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বা প্রধান কর্মকর্তা এবং উহার পরিচালকের সংখ্যা তিনজনের বেশী হইলে, অন্যূন তিনজন পরিচালক, এবং তিনজন হইলে সকল পরিচালক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হইবে

(খ) বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, উহার বাংলাদেশস্থ প্রধান কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক বা প্রতিনিধি এবং উক্ত ব্যবস্থাপক বা প্রতিনিধি হইতে পরবর্তী নীচের একজন কর্মকর্তা কর্তৃক স্বাক্ষরিত হইৰে

(৩) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যালেন্স সীট, এবং লাভ-ক্ষতির হিসাব এবং আর্থিক প্রতিবেদন দাখিল সম্পর্কে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ফরমটি কোম্পানী আইনের Thind Schedule এর ফরম হইতে ভিন্নতর হওয়া সত্ত্বেও, উক্ত ব্যালেন্সশীট, লা- ক্ষতির হিসাব ও আর্থিক প্রতিবেদন দাখিলের ক্ষেত্রে, উক্ত আইনের বিধানাবলী ততটুকু প্রযোজ্য হইবে যতটুকু এই আইনের বিধানাবলীর সহিত সংগতিপূর্ণ হয়।

(৪) বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম তফসিলের ফরমসমূহ সংশোধন করিতে পারিবে

তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ সংশোধনের অন্যূন তিন মাস পূর্বে উক্তরূপ সংশোধনের ইচছা প্রকাশ করিয়া সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারী করিতে হইবে।

ব্যাখ্যা কোন বিশেষ ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভিন্নরূপ নির্দেশ না থাকিলে, এই ধারায় “বৎসর” অর্থ হিসাব বর্ষ।

৩৯। নিরীক্ষা :- (১) Bangladesh Chartered Accountants Order, 1973 (P.O.No.2. 1973) বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন অনুসারে কোম্পানীর অডিটর হওয়ার যোগ্য যে কোন ব্যক্তি ব্যাংক-কোম্পানী নিরীক্ষণের জন্য যোগ্য বলিয়া বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত হইলে, ধারা ৩৮ এর অধীন প্রস্তুতকৃত ব্যালেন্সশীট অনুসারে ব্যাংক-কোম্পানীর লাভ ও ক্ষতির হিসাব ও আর্থিক প্রতিবেদন নিরীক্ষা করিতে পারিবে।

ব্যাংক কোম্পানীর কার্যাবলী ৪। দ্বিতীয় খন্ড । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

(২) কোম্পানী আইনের Section 145 এর দ্বারা কোম্পানীর অডিটরদের উপর যে ক্ষমতা, দায়িত্ব, দায় ও শাস্তি অপূর্ণ বা আরোপ করা হইয়াছে সেই ক্ষমতা, দায়িত্ব, দায় ও শাস্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত নিরীক্ষকের উপর বর্ণিত ও আরোপিত থাকিবে।

(৩) কোম্পানী আইনের অধীন প্রয়োজনীয় বিষয়াবলী ছাড়াও কোন নিরীক্ষক তাহার প্রতিবেদনে নিম্নবর্ণিত বিষয়াবলী উল্লেখ করিবেন, যথা :-

(ক) আর্থিক প্রতিবেদনে কোম্পানীর আর্থিক অবস্থা ও সংশ্লিষ্ট সময়ের লাভক্ষতি সঠিকভাবে প্রতিফলিত হইয়াছে। কি না

(খ) আর্থিক প্রতিবেদন সাধারণ হিসাব পদ্ধতি অনুসারে সঠিকভাবে প্রস্তুত করা হইয়াছে কিনা

(গ) আর্থিক প্রতিবেদন প্রচলিত বিধি ও আইন এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারীকৃত হিসাব সংক্রান্ত নিয়মকানুন মোতাবেক প্রণীত হইয়াছে কি না,

(ঘ) যে সকল অগ্রিম এবং অন্যান্য সম্পদ আদায় সম্পর্কে সন্দেহ রহিয়াছে সেইগুলির জন্য পর্যাপ্ত সংস্থান রাখা হইয়াছে কি না;

(ঘঘ) বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সময় সময় যে পরিমাণ নির্ধারণ করা হইবে সেই পরিমাণের অধিক টাকায় অগ্রিম বা ঋণের পরিশোধ সন্তোষজনক কি না.

(ঙ) আর্থিক প্রতিবেদন বাংলাদেশের পেশাজীবী হিসাববিদদের সহিত আলোচনান্তে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারীকৃত হিসাব বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত মানসম্পন্ন হইয়াছে কি না

(চ) ব্যাংক কোম্পানীর শাখা অফিসগুলি কর্তৃক প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র এবং হিসাব সমূহ সঠিকভাবে সংরক্ষিত ও একত্রীভূত করা হইয়াছে কি না,

(ছ) নিরীক্ষক কর্তৃক প্রার্থীত তথ্যাদি এবং ব্যাখ্যা সন্তোষজনক হইয়াছে কি না।

(জ) অন্য এমন সব বিষয় যাহা উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর শেয়ার হোল্ডারদের গোচরীভূত করা উচিত বলিয়া নিরীক্ষক মনে করে

(৪) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর নিরীক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালনের সময় যদি কোন নিরীক্ষক এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে,

(ক) এই আইনের কোন বিধান গুরুতরভাবে লঙ্ঘিত হইয়াছে বা উহা পালনে গুরুতর অনিয়ম ঘটিয়াছে,

(খ) প্রতারণা বা অসততার দরুন ফৌজদারী অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে,

(গ) লোকসানের দরুন মূলধন পঞ্চাশ শতাংশের নীচে নামিয়া গিয়াছে

(ঘ) পাওনাদারদের পাওনা প্রদানের নিশ্চয়তা বিঘ্নিত হওয়াসহ অন্য কোন গুরুতর অনিয়ম ঘটিয়াছে অথবা

(ঙ) পাওনাদারগণের পাওনা মিটাইবার জন্য কোম্পানীর সম্পদ যথেষ্ট কি না সে সম্পর্কে সন্দেহ রহিয়াছে। তাহা হইলে তিনি অবিলম্বে উক্ত বিষয় সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করিবেন।

৩৯ক। বিশেষ নিরীক্ষা। (১) ধারা ৩৯ এর অধীন নিরীক্ষা বা ধারা ৪৪ এর অধীন পরিদর্শন প্রতিবেদন বিবেচনা করিয়া বা অন্যকোন ভাবে প্রাপ্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হইবার মুক্তিসংগত কারণ থাকে যে, কোন ব্যাংক কোম্পানীর কার্যাবলী বা কার্যাবলীর বিশেষ কোন অংশ নিরীক্ষা করা প্রয়োজন, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক ধারা ৩৯ (১) এ উল্লিখিত ব্যাক্তি দ্বারা উক্ত ব্যাংক কোম্পানীর কার্যাবলী বা কার্যাবলীর অংশ বিশেষ নিরীক্ষা করাইতে পারিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন বিশেষ নিরীক্ষার সময় সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কোম্পানীর নিরীক্ষককে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করিবে ।

৩৯খ। নিরীক্ষককে অযোগ্য ঘোষণা।- (১) বাংলাদেশ ব্যাংকের যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হইবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে, কোন ব্যাংক-কোম্পানীর নিরীক্ষা কাজে নিয়োজিত কোন নিরীক্ষক তাহার দায়িত্ব পালনে অবহেলা করিয়াছেন বা তাহার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে উত্ত নিরীক্ষক ব্যর্থ হইয়াছেন, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে গঠিত কমিটির তদন্ত ও সুপারিশের ভিত্তিতে উক্ত নিরীক্ষককে বাংলাদেশ ব্যাংক অনধিক দুই বৎসরের জন্য কোন ব্যাংক-কোম্পানী নিরীক্ষার অযোগ্য ঘোষণা করিতে পারিবে :

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত রূপ ঘোষণা প্রদানের পূর্বে সংশ্লিষ্ট নিরীক্ষককে কারণ দর্শনোর যুক্তিসংগত সুযোগ নিতে হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন ঘোষণার ফলে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্যস-এর নিকট, উপ-ধারা (১) এর অধীন ঘোষণার আদেশ প্রদানের পনের দিনের মধ্যে আপীল পেশ করিতে পারিবে এবং এই ব্যাপারে উক্ত পর্যদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হইবে

৪০। বিবরণী দাখিল।- (১) ধারা ৩৮ এ উল্লিখিত হিসাব, ব্যালেন্সশীট ও প্রতিবেদন এবং পরিচালক পর্ষদ কর্তৃক, ক্ষেত্রমত, কোম্পানীর সাধারণ সভায় শেয়ার হোল্ডার কর্তৃক অনুমোদিত নিরীক্ষা প্রতিবেদন নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রকাশ করা হইবে এবং উক্ত হিসাব, ব্যালেন্সশীট, ও প্রতিবেদন যে সময় সম্পর্কিত সেই সময় শেষ হইবার তিন মাসের মধ্যে উহাদের প্রতিটির তিনটি করিয়া প্রতিলিপি বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট দাখিল করিতে হইবে : তবে শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশ ব্যাংক বিবরণী দাখিলের উক্ত সময়সীমা অনধিক তিন মাস পর্যন্ত বর্ধিত করিতে পারিবে।

ব্যাংক কোম্পানীর কার্যাবলী ৪। দ্বিতীয় খন্ড । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

৪১। রেজিস্ট্রারের নিকট ব্যালেন্সশীট ইত্যাদি প্রেরণ। ধারা ৪০ এর বিধান অনুসারে কোন ব্যাংক-কোম্পানী কোন বৎসর ইহার আর্থিক প্রতবেদন, লাভ-ক্ষতির হিসাব, ব্যালেন্সশীট এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদন দাখিল করিলে, যদি ইহা প্রাইভেট কোম্পানী হইয়া থাকে তাহা হইলে, উক্ত ব্যালেন্সশীট, হিসাব ও প্রতিবেদনের তিনটি করিয়া অনুলিপি একই সংগে রেজিস্ট্রারের নিকটও প্রেরণ করা যাইতে পারিবে, এবং অনুরূপ অনুলিপি প্রেরিত হইলে, কোম্পানী আইনের উক্ত Section 134 (1) এর বিধান মোতাবেক উক্ত কোম্পানী কর্তৃক উক্ত ব্যালেন্সশীট, হিসাব ও প্রতিবেদনের অনুলিপি রেজিষ্ট্রারের নিকট পুনরায় প্রেরণের প্রয়োজন হইবে না, এবং উক্ত অনুলিপিগুলির উপর উক্ত Section অনুযায়ী ফিস প্রদেয় হইলে এবং অন্য সকল বিষয়েও উক্ত Section এর অধীন অনুলিপি দাখিল করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

৪২। বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত বাংক-কোম্পানী কর্তৃক নিরীক্ষিত ব্যালেন্সশীট প্রদর্শন।- বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানী –

(ক) ধারা ৩৮ এর অধীন প্রস্তুতকৃত ইহার সর্বশেষ ব্যালেন্সশীট এবং লাভ-ক্ষতির হিসাবের একটি প্রতিনিধি প্রদর্শনের জন্য ইহার বাংলাদেশস্থ প্রধান কার্যালয় এবং সকল শাখা কার্যালয়ের কোন প্রকাশ্য স্থানে, উক্ত ব্যালেন্সশীট ও হিসাব সংশ্লিষ্ট বৎসরের পরবর্তী বৎসরের ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথম সোমবারের পরে নয় এমন যে কোন দিনে, সস্থাপন করিবে এবং উহার পরবর্তী ব্যালেন্সশীট ও হিসাব একইভাবে স্থাপিত না হওয়া পর্যন্ত উহা অব্যাহতভাবে স্থাপিত রাখিবে

(খ) উত্তরূপ প্রদর্শন ছাড়াও এইরূপ কোম্পানী ইহার ব্যবসা সংক্রান্ত ব্যালেন্সশীট ও লাভ ক্ষতির হিসাব পূর্ণভাবে নিরীক্ষিত হওয়ার পর উহাদের অনুলিপি পাওয়া মাত্র একই পদ্ধতিতে স্থাপন ও প্রদর্শন করিবে এবং পরবর্তী অনুরূপ ব্যালেন্সশীট ও হিসাব স্থাপিত না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহতভাবে স্থাপিত রাখিবে।

৪৩। হিসাব সংক্রান্ত বিধানাবলীর ভবিষ্যাপেক্ষতা। এই আইন প্রবর্তিত হওয়ার পূর্বে যে হিসাব-বর্ষ সমাপ্ত হইয়াছে উহার ব্যাপারে এই আইনের কিছুই ব্যাংক-কোম্পানীর হিসাব প্রস্তুত ও নিরীক্ষা এবং হিসাব বা নিরীক্ষা প্রতিবেদন দাখিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না এবং এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ইহা প্রবর্তনের অব্যবহিত পূর্বে বিদ্যমান আইন অনুসারে উক্ত হিসাব প্রস্তুত ও করা হইবে এবং হিসাব ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন দাখিল করা হইবে।

৪৪। পরিদর্শন।– (১) কোম্পানী আইনে ভিন্নরূপ কোন বিধান থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ব্যাংক যে কোন সময়ে উহার এক বা একাধিক কর্মকর্তার দ্বারা কোন ব্যাংক-কোম্পানী ও উহার খাতাপত্র এবং হিসাব পরিদর্শন করিতে পারিবে এবং সরকার কর্তৃক নির্দেশিত হইলে অনুরূপ পরিদর্শন করাইবে এবং এইরূপ পরিদর্শন সমাপ্তির পর বাংলাদেশ ব্যাংক উরু পরিদর্শনের ভিত্তিতে প্রস্তুতকৃত প্রতিবেদনের একটি অনুলিপি উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীকে সরবরাহ করিবে ।

(২) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন ভিন্নরূপ বিধান থাকা সত্ত্বেও, এবং উপ-ধারা (১) এর বিধান ক্ষুণ্ণ না করিয়া, বাংলাদেশ ব্যাংক যে কোন সময় ইহার এক বা একাধিক কর্মকর্তা দ্বারা কোন ব্যাংক-কোম্পানীর খাতাপত্র ও হিসাব পুঙ্গানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করাইতে পারিবে এবং যদি উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী অনুরোধ করে, বা এইরূপ পরীক্ষার ভিত্তিতে উহার বিরুদ্ধে কোন ব্যবসা গ্রহনের প্রস্তাব বিবেচনাধীন থাকে, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত পরীক্ষার ভিত্তিতে প্রস্তুতকৃত প্রতিবেদনের একটি অনুলিপি উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীকে সরবারাহ করিবে।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন পরিদর্শনকার্য বা উপ-ধারা (২) এর অধীন পরীক্ষাকার্য পরিচালনাকারী ব্যক্তির চাহিদা মোতাবেক ও তৎকর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানীর খাতাপত্র, হিসাব বা অন্যান্য দলিল দাখিল করা এবং উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী সম্পর্কে কোন বিবৃতি বা তথ্য প্রদান করা উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী বা বহিরাগত নিরীক্ষকের দায়িত্ব হইবে।

(৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন পরিদর্শনকার্য বা উপ-ধারা (২) এর অধীন পরীক্ষাকার্য পরিচালনাকারী ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক- কোম্পানীর যে কোন পরিচালক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী বা ইহার বহিরাগত নিরীক্ষককে শপথ পাঠ করাইয়া উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর বিষয়াবলী সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পরিবেন।

(৫) বাংলাদেশ ব্যাংক এই ধারার অধীন কোন পরিদর্শন বা পরীক্ষাকার্য সম্পন্ন করার জন্য সরকার কর্তৃক নিদের্শিত হইলে, উক্ত পরীক্ষা বা পরিদর্শনকার্য সমাপ্তির পর বাংলাদেশ ব্যাংক উহার প্রতিবেদন সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক উহার ইচছানুযায়ী অনুরূপ প্রতিবেদন সরকারের নিকট পেশ করিতে পরিবে এবং উক্ত প্রতিবেদন বিবেচনান্তে সরকার যদি এইরূপ অভিমত পোষণ করে যে, উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর কার্যাবলী উহার আমনতকারীদের স্বার্থের পরিপন্থী পদ্ধতিতে পরিচালিত হইতেছে, তাহা হইলে উক্ত কোম্পানীকে উক্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে উহার বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য যুক্তিসংগত সুযোগ প্রদানের পর সরকার, লিখিত আদেশ দ্বারা

(ক) উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক নুতন আমানত গ্রহণ নিষিদ্ধ করিতে পরি েএবং

(খ) ধারা ৬৬ এর অধীনে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর অবসায়নের উদ্দেশ্যে দরখাসত্র দাখিলের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দিতে পরিবে :

তবে শর্ত থাকে যে, সরকার যেরূপ শর্ত আরোপ করা সংগত বলিয়া মনে করে সেইরূপ শর্তে এর ধারার অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ সাময়িকভাবে স্থগিত, সংশোধন বা বতিল করিতে পারিবে।

(৬) সরকার, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানীকে যুক্তিসংগত নোটিশ প্রদানের পর, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক পেশকৃত পূর্ণ প্রতিবেদন বা উহার অংশ বিশেষ প্রকাশ করিতে পারিবে।

ব্যাখ্যা। এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে “ব্যাংক-কোম্পানী” বলিতে

(ক) বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, বাংলাদেশে অবস্থিত উহার সকল শাখাকে বুঝাইবে, এবং

(খ) বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, বাংলাদেশের বাহিরে উহার সকল (সাবসিডিয়ারী ব্যাংক-কোম্পানী এবং বাংলাদেশের ভিতরে বা বাহিরে অবস্থিত উহার সকল শাখাকে বুঝাইবে ।

(৭) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোন ব্যাংক-কোম্পানী দাবী করে যে, কোন আদালত, বা বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যতীত, অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তলবকৃত কোন বিবরণ বা তথ্য এমন গোপনীয় যে উহাদের হস্তান্তর বা প্রকাশের মাধ্যমে নিম্নবর্ণিত বিষয়ে তথ্য প্রকাশ হইয়া পড়িবে, তাহা হইলে সেই ব্যাংক-কোম্পানী কোন আদালত বা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্দেশিত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত বিবরণ প্রদান করিতে বা তথ্য প্রকাশ করিতে বাধ্য থাকিবে না, যথা :-

(অ) প্রকাশিত ব্যালেন্সশীটে প্রদর্শিত হয় নাই এইরূপ সংরক্ষিত তহবিল বা (আ) আদায়যোগ্য নহে বা আদায়যোগ্যতা সম্পর্কে সন্দেহ আছে এমন ঋণ যাহা উহাতে প্রদর্শিত হয় নাই ।

ব্যাংক কোম্পানীর কার্যাবলী ৪। দ্বিতীয় খন্ড । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

৪৫। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ দানের ক্ষমতা। (১) বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে

(ক) জনসার্থে, বা

(খ) মুদ্রানীতি এবং ব্যাংক নীতির উন্নতি বিধানের জন্য, বা

(গ) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর আমনতকারীদের স্বার্থের পরিপন্থী বা ব্যাংক-কোম্পানীর স্বার্থের পক্ষে ক্ষতিকর কার্যকলাপ প্রতিরোধ করার জন্য বা

(ঘ) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য,

সাধারণভাবে সকল ব্যাংক-কোম্পানীকে, অথবা বিশেষ কোন ব্যাংক-কোম্পানীকে নির্দেশ প্রদান করা প্রয়োজন,তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক যথাযথ নির্দেশ জারী করিতে পরিবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানী উত্ত নির্দেশ পালন করিতে বাধ্য থাকিবে।

(২) বাংলাদেশ ব্যাংক মেচছায় অথবা উহার নিকট পেশকৃত কোন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত নির্দেশ বাতিল বা পরিবর্তন করিতে পারিবে এবং এইরূপ বাতিলকরণ বা পরিবর্তন শর্ত সাপেক্ষ হইতে পারিবে।

৪৬। ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক, ইত্যাদির অপসারণের ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা।-(১) বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোন ব্যাংক-কোম্পানীর চেয়ারম্যান বা কোন পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী, কোন ব্যাংক-কোম্পানী বা উহার আমানতকারীদের ক্ষতিকর কার্যকলাপ রোধকল্পে বা জনসার্থে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, উক্ত চেয়ারম্যান, পরিচালক, বা প্রদান নির্বাহীকে, যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, অপসারণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, আদেশের মাধ্যমে, উক্ত চেয়ারম্যান, পরিচালক, প্রধান নির্বাহীকে তাহার পদ হইতে অপসারণ করিতে পারিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন আদেশ প্রদানের পূর্বে যাহার বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ প্রদান করা হইবে তাহাকে উহার বিরুদ্ধে কারণ প্রদর্শনের জন্য যুক্তসংগত সুযোগ দিতে হইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বাংলাদেশ ব্যাংক যদি উহার অভিমত পোষণ করে যে, অনুরূপ সুযোগ প্রদানজনিত বিলম্ব উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী বা উহার আমানতকারী বা জনসার্থে ক্ষতিকর হইবে, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক উপরোক্ত সুযোগ প্রদানের সময়ে বা উহার পরে যে কোন সময় বা উক্ত উপ-ধারার অধীন কোন কারণ প্রদর্শিত হইয়া থাকিলে, তাহা বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায়, লিখিত আদেশের মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারে যে;

(ক) উক্ত চেয়ারম্যান বা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী উক্ত লিখিত আদেশ কার্যকর হইবার তারিখ হইতে চেয়ারম্যান বা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী হিসাবে কার্য করিবেন না, বা কোমপানীর ব্যবস্থাপনায়, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, অংশ গ্রহণ করিবেন না, এবং

(খ) বাংলাদেশ ব্যাংক এতদুদ্দেশ্যে যে ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে নিযুক্ত করিবে সেই ব্যক্তি উক্ত কোমপানীর চেয়ারম্যান বা ক্ষেত্রমত, পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী হিসাবে কার্য করিবেন।

(৩) যদি কোন ব্যাংক-কোম্পানীর চেয়ারম্যান বা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী উপ-ধারা (১) এর অধীন অপসারিত হন তাহা হইলে তিনি উক্ত কোম্পানীর চেয়ারম্যান বা, ক্ষেত্রমত, পরিচালক, প্রধান নির্বাহী পদে বহাল থাকিবেন না, এবং উক্ত আদেশে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য যাহা তিন বৎসরের বেশী হইবে না, তিনি উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী বা অন্য কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যবস্থাপনায়, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, সংযুক্ত হইবেন না বা অংশগ্রহণ করিতে পরিবেন না।

(৪) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত চেয়ারম্যান, পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী,

(ক) তাঁহার নিযুক্তি-পত্রে নির্ধারিত শর্তাধীনে বাংলাদেশ ব্যাংকের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে এবং তৎকর্তৃক নির্ধারিত মেয়াদ পর্যন্ত, যাহা এক বৎসরের বেশী হইবে না, উক্ত পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন এবং

(খ) তাহার পদের দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে কৃত কোন কিছুর জন্য আর্থিকভাবে বা অন্য কোনভাবে দায়ী হইবেনা।

(৫) উপ-ধারা (১) এর অধীন অপসারিত কোন ব্যক্তি উত্তরূপ অপসারণের কারণে কোন ক্ষতিপূরণ দাবী করিতে পরিবেন

(৬) সরকার কর্তৃক মনোনিত বা নিযুক্ত কোন চেয়ারম্যান, পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী, যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, এর ক্ষেত্রে এই ধারার কোন কিছুই প্রযোজ্য হইবে না।

৪৭। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক-পর্ষদ বাতিল করার ক্ষমতা। (১) বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এই

মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে.

(ক) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক-পর্ষদ, উহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, এই কার্যকলাপ উহার বা উহার আমনাতকরীদের মার্থের পরিপন্থী বা ক্ষতিকর বা (খ) ধারা] ৪৬(১) এ উল্লিখিত যে কোন বা সকল কারণে, উ পর্ষদ বাতিল করা প্রয়োজন, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক, লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, আদেশ দ্বারা উরু পর্যন বাতিল করিতে পরিবে এবং আদেশে উল্লিখিত তারিখ হইতে উত্ত বাতিল আদেশ কার্যকর হইবে এবং উর আদেশে যে মেয়াদের উল্লেখ থাকিবে সেই মেয়ান পর্যন্ত অদেশটি বলবৎ থাকিবে।

(২) বাংলাদেশ ব্যাংক উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত আদেশের মেঘাপ সময় সময় বর্ধিত করিতে পারে, তবে বর্ণিত মেয়াদসহ উন্ন মেয়াদ দুই বৎসরের বেশীহইবে না।

(৩) পরিচালক-পর্ষদ বাতিল থাকার সময়কালে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে সময় সময় নিযুক্ত ব্যক্তি পর্যনের যাবতীয় ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করিবে।

(৪) ধারা ৪৬ এর উপ-ধারা (২), (৩), (৪) ও (৫) এর বিধান সমূহ উহাতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ, এই ধারার অধীন প্রনর আদেশের ব্যাপারে প্রযোজ্য হইবে।

ব্যাংক কোম্পানীর কার্যাবলী ৪। দ্বিতীয় খন্ড । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

৪৮। সীমাবস্থা- (১) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি ধারা ৪৩ অথবা ৪৭ এর অধীনে কোন আদেশ প্রদান করিতে পারিবে না

তবে শর্ত থাকে যে, এতদুদ্দেশ্যে গঠিত স্থায়ী কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে গভর্ণর উপরোক্ত আদেশ প্রদান করিবেন।

(২) ধারা ৪৬ অথবা ৪৭ এর অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণরের কোন আদেশের ফলে সংস্কৃত ব্যক্তি বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের নিকট আপীল পেশ করিতে পরিবে এবং এই ব্যাপারে উচ্চ পর্যদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হইবে।

(৩) এই ধারা বা ধারা ৪৬ বা ৪৭ এর অধীন গৃহীত কোন ব্যাকথা, আদেশ বা সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কোন আদালত, ট্রাইবুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার প্রশ্ন উত্থাপন করিতে পারিবে না এবং অনুরূপ কোন ব্যবস্থা, আদেশ বা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোন আদালত, ট্রাইবুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষের সমক্ষে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

৪৯। বাংলাদেশ ব্যাংকের অধিকতর ক্ষমতা ও কার্যাবলী।- (১) বাংলাদেশ ব্যাংক,-

(ক) সাধারণভাবে সকল বা কোন বিশেষ ব্যাংক-কোম্পানীকে কোন নির্দিষ্ট বা বিশেষ শ্রেণী লেনদেনে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক বা নিষেধ করিতে পরিবে

(খ) সাধারণভাবে সকল বা কোন বিশেষ ব্যাংক-কোম্পানীকে উহাদের বা উহার ব্যবসা সংক্রান্ত কোন বিশেষ ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোন কার্যক্রম গ্রহন না করার জন্য যা করার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(গ) সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানীসমূহের অনুরোধক্রমে এবং ধারা ৭৬ এর বিধান সাপেক্ষে উহাদের একত্রীকরণের প্রস্তাবে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে বা অন্য কোনভাবে সুহায়তা প্রদান করিতে পারিবে।

(ঘ) ধারা ৪৮ এর অধীন কোন পরিদর্শন চলাকালে বা উহা সমাপ্ত হইবার পর, লিখিত আদেশ দ্বারা এবং উহাতে উল্লিখিত শর্তাধীনে

(অ) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর বিষয়াবলী বা উহা হইতে উদ্ভূত কোন বিষয় বিবেচনার জন্য উহার পরিচালকগণের সভা আহবান করিতে বা অনুরূপ কোন বিষয় সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন কর্মকর্তার সহিত আলোচনা করিতে উহার যে কোন কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে …

(আ) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক পর্ষদ, বা উহার কোন কমিটি বা ব্যক্তিসংঘে সভার কার্য ধারা পর্যবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন কর্মকর্তাকে নিয়োগ করিতে পারিবে এবং উক্ত কর্মকর্তাকে উক্ত সভায় বন্ধুবা পেশ করার সুযোগ প্রদানের জন্য ব্যাংক-কোম্পানীকে, এবং উক্ত সভার কার্যধারার উপরে একটি প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট দাখিল করার জন্য উক্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিতে পরিবে

(ই) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক-পর্ষদ, বা উহার কোন কমিটি বা ব্যক্তি সংঘ যে কোন সভা সংক্রান্ত নোটিশ ও অন্যান্য চিঠিপত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দিষ্ট কোন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণের জন্য কোম্পানীকে নির্দেশ দিতে পারিবে।

(২) বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের ব্যাংক ব্যবস্থার খতি উন্নতি বিধানকল্পে উহার কার্যাবলী সম্পর্কে সরকারের নিকট একটি বার্ষিক প্রতিবেদন দাখিল করিবে এবং উক্ত প্রতিবেদনে ব্যাংক ব্যবসাকে সমগ্র দেশে জোরদার করার জন্য গ্রহণীয় পদক্ষেপ সম্পর্কে পরামর্শ থাকিবে।

৫০। কতিপয় ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে কতিপয় বিধান প্রযোজ্য হইবে না। (১) ধারা ১৩, ১৪ (১), ২৪, ২৫, ৩৩ এবং ৩৪ এর বিধানাবলী নিম্নবর্ণিত ব্যাংক-কোম্পানী সমূহের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যথা :-

(ক) ধারা ৩১ এর অধীন যে কোম্পানীর লাইসেন্সের আবেদন প্রত্যাখান বা লাইসেন্স বাতিল করা হইয়াছে

(খ) কোন আদালত কর্তৃক অনুমোদিত আপোষ মীমাংসা, ব্যবস্থা বা সকীম দ্বারা, বা তৎসম্পর্কিত কার্যধারা নত কোন আদেশ দ্বারা যে কোমপানী কর্তৃক নুতন আমানত গ্রহণ নিখিল্য হইয়াছে

(গ) মেমোরেন্ডাম অব এ্যাসোসিয়েশনে কোন পরিবর্তনের ফলে যে কোম্পানী কর্তৃক নুতন আমানত গ্রহণ নিষিদ্ধ

(২) বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক গৃহীত আমানত সম্পূর্ণভাবে অথবা উহার পক্ষে সম্ভবপর সর্বোচচ পরিমাণে পরিশোধের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করিয়াছে, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক, সরকারী গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দ্বারা, উক্ত কোম্পানী এই আইনের ব্যবহৃত অর্থে ব্যাংক-কোম্পানী নহে বলিয়া ঘোষা করিতে পারিবে এবং এইরূপ ঘোষণার পর হইতে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে এই আইনের বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে না : তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পূর্বে উক্ত কোমপানী কর্তৃক সম্পাদিত ও সম্পাদনীয় কোন কিছুর ক্ষেত্রে উক্ত ঘোষ কার্যকর হইবে না।

আরও পড়ুনঃ

মন্তব্য করুন