ডেবিট কার্ড [ Debit Card ]

ডেবিট কার্ড ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের অন্যতম একটি পদ্ধতি। এই কার্ডকে Cash কার্ড, Asset কার্ড ইত্যাদি নামে অভিহিত কে হয়। সাধারণতঃ ডে-বিট কার্ডে মরুেলের জমা হিসাবে সরাসরি ডেবিট করা হয়। ডেবিট কার্ডকে নিম্নলিখিতভাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে।

ডেবিট কার্ড [ Debit Card ]

ডেবিট কার্ড [ Debit Card ]

* ডে-বিট কার্ড হল বাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমানতকারীকে প্রদত্ত চুম্বকভিত্তিক সাংকেতিক নাম্বারযুক্ত এক ধরনে বিশেষ প্লাষ্টিক কার্ড।

* চুম্বকভিত্তিক সাংকেতিক নাম্বারগুলো মেশিনের মাধ্যমে সনাক্ত করে প্রয়োজন অনুযায়ী লেনদেন সংগঠিত করা সম্ভব। ডেবিট কার্ডের মালিক সহজে টর্মিনাল ভিত্তিক পরিশোষ (Automated terminal based payment). লেনদেন করতে পারে।

* এই কার্ডের মাধ্যমে সহজে ইলেকট্রনিক উপায়ে তহবিল স্থানান্তর ও আমানত হিসাব থেকে টাকা উত্তেলান করা যায়।

ডেবিট কার্ড সেবার উদ্দেশ্য (Objectives of Debit Card Services):

ডে-বিট কার্ডে সেবার উদ্দেশ্যকে মোটামোটি তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথাঃ

(ক) আর বাড়ানো (Revenue Generation).

(খ) ব্যয় কমানো (Expenditure Reduction);

(গ) গ্রাহক সেবা- (Client Service) |

নিম্নে এদের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেয়া হল:

(ক) আয় বাড়ানো (Revenue Generation) :

ডে-বিট কার্ড ইসকারী ব্যাংকসহ অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রত্যাশা করে যে উক্ত কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে তারা নিম্নোক্তভাবে আয় বাড়াতে সক্ষমঃ

i) পরিশেষে বিলের উপর প্রাপ্ত বাট্টা (Merchant discorint)

ii) অস্ত্র ব্যবহার ফিস (Interecharge Fees)

(iii) কার্ড ব্যবহারের জন্য প্রাপ্ত ফিস (Card Fees)

iv) ক্রেডিট লাইন ব্যবহারের জন্য ভাড়া বা প্রাপ্ত সুদ (Interest on credit line)

(খ) ব্যয় সংকোচন (Cost Reduction) :

ডে-বিট কার্ডের মাধ্যমে ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বহুলাংশে কয় কমাতে সক্ষম হয়েছে। ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে কাগাজী লেনদেন যথা ফাইল, ভাঙ্ক্ষার, চিঠি, ইত্যাদির খরচ কমানো সম্ভব হয়েছে যা কিনা ব্যয় বহুলও ছিল। এছাড়া কার্ডের ব্যবহারের ফলে কর্মচারীর সংখ্যা কমিয়ে খরচ বহুলাংশে কমানো সম্ভব হয়েছে।

ডেবিট কার্ড [ Debit Card ]

(গ) মক্কেল সেবা (Client Services)

ডে-বিট কার্ড নগদ টাকা, চেক এবং ক্রেডিট কার্ডের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অপরপক্ষে দোকানে পণ্যের জন্য প্রচুর নগদ টাকা সাথে নিম্ন মার্কেটি যাতায়াত করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। চেকের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা মূল্য পরিশোধে অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। যেমন – নড়া কে অনুমোদন করা সময় সাপেক্ষ। এক দেশের চেক অন্য দেশে গ্রহনযো সেটি কার্ডে লোকের গ্রাহকের চেকিং একাউন্টের সাথে সংযুক্ত থাকে, সেহেতু কার্ডের ধারক মূল্য পরিশোধে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। আব অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা ক্রেডিট কার্ড পরিশেষ গ্রহন করে না সেখানে সহজেই ডিবিট কার্ড ব্যবহার করা যায়।

ডেবিট কার্ড ব্যবহারকারী (User of Debit Card)

যখন কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাজারে ডেবিট কার্ড প্রোগ্রাম চালু করার চিন্তা করে তখন তাদের সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হয় যে, কাজের কাজটি বৃহৎ বাজার টাতটি করবে না নির্দিষ্ট সংখ্যক গ্রাহক টার্গেট করবে। সাধারণত ঢেকি কার্ড পারে law market product) পরিশোষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কারন গ্রাহকেরা এই কাডটি নগদ টাকা, এক বা ক্রেডিট কার্ডের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করতে পারে। সাধারণতঃ “Choda Worthy” অর্থাৎ বাহল লোকদের নিকট এই কার্ডের গ্রহণযোগ্যতা বেশী। এক গবেষণায় দেখা গেছে নিম্নলিখিত শ্রেনীর লোকেরা সাধারণত ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে থাকে এ

  • যারা বেশী পরিমাণ ব্যাংকিং সেবা ব্যবহার করে।
  • যারা বেশী পরিমানে চেকে লেনদেন করে।
  • যাদের গড় পড়তা আয় বেশী।
  • যুবক লোকেরা বৃদ্ধদের তুলনায় বেশী ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে।
  • যারা তাদের Checking Account – গড় চার থেকে কম ঝালেন্স রাখে।
  • যারা ভ্রমন ও বিনোদন করের জন্য কার্ড পেতে ইচছুক।
  • যাদের আর্থিক সম্পদ বেশী।

ডেবিট কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংকের বিবেচ্য বিষয়সমূহ (Considerations of Debit Card Issue):

ডেবিট কার্ড [ Debit Card ]

-কোন ব্যাংক যখন একটি ডেবিট কার্ড প্রোগ্রাম চালুর বিষয় চিন্তা করে তখন নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনায় আনতে হয় :

১. অনুমোদন- (Authorization) :

ডে-বিট কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংককে কার্ড ইস্যু করার পূর্বেই জাতীয় নেটওয়ার্ক অনুমোদন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোন গ্রাহকের পক্ষে এরূপ সুবিধা, সেবা প্রদানের জন্য অনুমোদন নেয়া আবশ্যক। ইসাকারী ব্যাংককে কার্ডের আবেদনকারীর আমানত হিসাবগুলোকে ক্রেডিট কার্ড সিস্টেম এর সাথে বা বাহিরের processor এ সাথে বা সরাসরি জাতীয় অনুমোদন নেটওয়ার্ক (National Authorization Network)-এর সঙ্গে প্রয়োজনীয় সংযোগ করে নিতে হয়।

২. বিল লেনদেন প্রক্রিয়া- (Billing & Processing)

ডে-বিট কার্ডের লেনদেন গুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে থাকে। সেইজন্য কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংকে বা প্রতিষ্ঠান এমন একটা পদ্ধতি অংকন (Design) করে যার মাধ্যমে কার্ডধারীদের আমানত হিসাব সংযুক্ত থাকে। প্রতিটি লেনদেন সংগঠিত হওয়ার পর কার্ডবারকের হিসাব বিবরণীতে তার তাৎক্ষনিক প্রতিফলন ঘটে থাকে।

৩. কার্ড ইসু (Card Issuance) :

ডে-বিট কার্ড ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান গ্রাহক কর্তৃক কার্ডের অপব্যবহার এবং অন্যান্য ঝুঁকি এড়ানোর জন্য নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো বিবেচনা করে কার্ড ইস (Issue) করে থাকে

  • আগ্রহী কার্ডধারকের নূন্যতম আমানত জের থাকে কিনা।
  • হবু কার্ডয়ারক ATM ব্যবহার করে কিনা
  • আবেদনকারী ধারক ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারী কিনা আবেদনকারী নৃন্যতম এক বৎসর বা তার চেয়ে বেশী দিনের গ্রাহক কিনা
  • ডেবিট কার্ডের জন্য আবেদনকারীর জমাতিরিক্ত উত্তোলনের কি রূপ ইত্যাদি।

“চর্চাই সবচেয়ে বড় শিক্ষক, কারন চর্চার মাধ্যমেই আমরা যে কোন জিনিস নিখুঁতভাবে আয়ত্ব করতে পারি”

                                                                                                                                                           পাবলিয়াস সাইরাস

আরও পড়ুনঃ

মন্তব্য করুন