“তিন এর কেস” [ কেস নম্বর – ২৪ ]

“তিন এর কেস” [ কেস নম্বর – ২৪ ]

“তিন এর কেস” [ কেস নম্বর – ২৪ ]

“তিন এর কেস

একটি প্রত্যয় পত্রে (আংশিক জাহাজীকরন Partial Shipinent) রহিত করা হয়েছে। কিছু ইউরোপের যে কোন বন্দর থেকে পণ্য জাহাজীকরনের অনুমতি দেয়া হয়েছে। যথারীতি Opening Bank জাহাজীকরণের দলিল হাতে পায় এবং তা পরীক্ষা করে দেখতে পার যে তিনটি ভাগে, তিনটি তারিখে ও তিনটি ভিন্ন বন্দর থেকে পণ্য জাহাজীকরণ সম্পন্ন যুদ্ধ। যদিও পণ্য পরিবহণকৃত জাহান একই ছিল। Cheming Bank সমঝোতাকারী বাংকের কাছে এই বলে আপত্তি তুলল যে এখানে Panial Shipment কার্যকর হয়েছে। কিন্তু সমঝোতাকারী ব্যাংক Opening Bank কে এই বলে তাদের হয়ে নিশ্চিত করল যে প্রাপ্ত দলিলাদি ঠিকই আছে- আলোচনা কর।

“SIMEX ব্যাংক কেস ” [ কেস নম্বর ২৫ ]

সম্পূর্ণ নতুন একজন মক্কেলের অনুরোধে SIMEX ব্যাংক চিনি আমদানীর উদ্দেশ্যে শতকরা ৭৫ মার্জিনে ১০০,০০০ লক্ষ মার্কিন ডলার সমমূল্যের একটি প্রভাব পত্র খুলল। যথারীতি সফলভাবেই প্রভার পরের লেনদেন সম্পন্ন হল। এর পর পরই একই মার্কিন ডলার সমমূল্যে আর একটি প্রথম পত্র উক্ত একই মঞ্চেলের নামে খুলল।

কিন্তু মার্জিনের পরিমাণ ছিল শতকরা ১০ ভাগ এবং এবার আমদানীকৃত পণ্য ছিল সি. আই. সীট ইতঃমধ্যে বাংক সরবরাহকারীর ক্ষণ সম্পর্কিত প্রতিবেদন যোগাড় করে এবং দেখে যে উক্ত কোম্পানীর বয়স মাত্র দেড় বছর এবং মোট চারজন পরিচালকের মধ্যে তিন জনই বাংলাদেশী নাগরিক। ক্রমান্বয়ে ব্যাংক প্রয়োজনীয় জাহাজী দলিল হাতে পায় এবং আমদানীকারককে পণ্য ছাড়িয়ে নেবার জন্য বলে।

“তিন এর কেস

কিন্তু আমদানীকারক অজুহাত দেয় যে, প্রদত্ত দলিলে শিপিং মার্ক নাই এবং পণ্য ছাড়িয়ে নিতে অস্বীকার করে। কিছুকাল পরে ব্যাংকের অনুসন্ধানকারী ব্যাপক অনুসন্ধানের পর জানতে পারে যে, আমদানীকৃত পণ্ডের মান প্রত্যয় পত্রে উল্লিখিত পণ্যের চেয়ে নিম্নমানের এবং আরও অনুসন্ধানে তারা জানতে পারে যে উক্ত আমদানীকারক ছয় মাস পূর্বে অপর কয়েকটি ব্যাংকের সাথে এ ধরনের ছয়টি আচরণ করেছে। কিভাবে ব্যাংক তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারত সেই সম্পর্কে মতামত/পরামর্শ দাও।

“বাংলা ব্যাংক কেস” [ কেস নম্বর ২৬ ]

একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তুলা আমদানীর জন্য Bangla Bank-এ একটি হিসাব খুললেন। তার উদ্দেশ্য প্রায় এক মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের তুলা আমদানী করা। তার এই হিসাব খোলার পরপরই তিনি উক্ত ব্যাংকে যথাক্রমে ৫০০০০ হাজার ও ১৫০,০০০ মার্কিন ডলার সমমূল্যের গেট দুটি প্রত্যয় পত্র খোলার প্রস্তাব দেন। এক্ষেত্রে মার্জিন হিসাবে শতকরা ১০ ভাগ রাখার জন্য বলা হয়।

প্রথম প্রত্যয় পত্রের ক্ষেত্রে আমদানীকৃত পণ্য (SOS) এস. জি. এস. পরিদর্শনের শর্ত আরোপ করা হয়। কিন্তু ইতঃমধ্যে উক্ত পরিদর্শন  আইন সংশোষিত হয়। নতুন আইনে এরূপ সংযুক্তি ঘটে যে আমদানীকৃত পণ্য এস. জি. এস. বা যে কোন আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত যোগ্য পরিদর্শক দ্বারা পরিদর্শিত হতে হবে।

“তিন এর কেস

Opening Bank বিদেশী Advising Bank কে এল সি টি কনফার্ম করতে বলে। কিন্তু উক্ত Advising Bank তা করেনি। যথাক্রমে জাহাজী দলিল বুঝে পাবার পর Opening Bank দেখলো যে, Advising Bank উল্লেখিত কোন অনুরোধই রাখেনি। Opening Bankবকৃত পণ্যের আমদানীকারককে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র গ্রহন করে লেনদেনের নিষ্পত্তি ঘটাতে বলে।

কিন্তু কি আমদানীকারক ব্যাংক তার হয়ে পণ্য খালাস করতে এবং তাকে Lim (Loan Against Imported marchandise) সুবিধা প্রদানের অনুরোধ জানায়। ব্যাংককে বাধ্য হয়ে তা করতে হয়। কিন্তু পদ্ম ছাড়িয়ে আনার পূর্বে ব্যাংক উক্ত আমদানীকৃত পক্ষের মান যাচাই করে গিয়ে দেখল যে প্রতায় পত্রে উল্লেখিত দ্রব্যের মানের চাইতে তা নিম্নমানের। পরিণতিতে ব্যাংক বিরাট আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।

আরও পড়ুনঃ

মন্তব্য করুন