কোম্পানী, ইত্যাদির বেআইনী ব্যাংক ব্যবসা । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১

কোম্পানী, ইত্যাদির বেআইনী ব্যাংক ব্যবসা । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১

ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১

কোম্পানী, ইত্যাদির বেআইনী ব্যাংক ব্যবসা । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১

কোম্পানী, ইত্যাদির বেআইনী ব্যাংক ব্যবসা । তৃতীয় খন্ড । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

৫১। কতিপয় তথ্য, ইত্যাদি তলব করিবার ক্ষমতা। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট যদি এই মর্মে প্রতীয়মান হয় যে, কোন ব্যাংক-কোম্পানী বা অন্য কোন ব্যক্তি ধারা ৩১ (১) এর বিধান লঙ্ঘণ ক্রমে ব্যাংক ব্যবসা পরিচালনা করিতেছে, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক..

(ক) উক্ত কোম্পানী বা ব্যক্তিকে, বা ব্যাংক-ব্যবসা করিতেছেন বা কোন সময় করিয়াছিলেন বা উহার সহিত সংশ্লিষ্ট ছিলেন এমন কোন ব্যক্তিকে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, উপরিউক্তরূপ ব্যবসার সহিত সম্পর্কিত উক্ত কোম্পানীর বা ব্যক্তির অবগতিতে, দখলে, জিম্মায় বা নিয়ন্ত্রণে আছে এমন কোন তথ্য, দলিল বা নথিপত্র দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারিবে;

(খ) উক্ত কোম্পানী বা ব্যক্তির বা ব্যাংক ব্যবসা করিতেছেন বা কোন সময় করিয়াছিলেন বা উহার সহিত সংশ্লিষ্ট ছিলেন এমন কোন ব্যক্তির যে কোন অংগনে প্রবেশ করিয়া তল্লাশী করিতে এবং উহাদের বা উহাদের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর দখল নিয়েন্ত্রেণ বা জিম্মায় রহিয়াছে ব্যাংক-ব্যবসা সংক্রান্ত এমন সব বই হিসাবের খাতাপত্র, দলিল বা নথিপত্র আটক করিতে যে কোন ব্যক্তিকে ক্ষমতা অর্পণ করিতে পারিবে

(গ) দফা (খ)তে উল্লিখিত কোন বহি, হিসাবের খাতাপত্র, দলিল বা নথিপত্র পরিদর্শন বা পরীক্ষা করিতে পারিবে এবং উক্ত দফায় উল্লিখিত যে কোন ব্যক্তি, কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবে (ঘ) উক্ত কোম্পানী বা ব্যক্তি বা দফা

(ঘ) তে উল্লিখিত যে কোন ব্যক্তি, কর্মকর্তা বা কর্মচারীর ক্ষেত্রে, ধারা ৪৪ এর উপ- ধারা (১), (২), (৪) ও (৫) এ বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রদত্ত ক্ষমতাবলীর যতটুকু প্রযোজ্য হয় ততটুকু প্রয়োগ করিতে পারিবে।

৫২। ঘোষণা প্রদানের ক্ষমতা।- (১) বাংলাদেশ ব্যাংক, এতদুদ্দেশ্যে যেইরূপ সংগত মনে করে (সেইরূপ তদন্তের পর, যি এইরূপ অভিমত পোষণ করে) যে, কোন ব্যাংক-কোম্পানী বা ধারা ৫১ তে উল্লিখিত কোন ব্যক্তি ধারা ৩১ (১) এর বিধান লঙ্ঘণ করিয়া ব্যাংক ব্যবসা পরিচালনা করিতেছেন, তাহা হইল বাংলাদেশ ব্যাংক সেই মর্মে একটি ঘোষণা প্রদান করিতে পরিবে তবে শর্ত থাকে যে, উত্তরূপ ঘোষণা প্রদানের পূর্বে উক্ত কোমপানী বা ব্যক্তি প্রস্তাবিত ঘোষণার বিরুদ্ধে উহার বা তাঁহার বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দিতে হইবে।

কোম্পানী, ইত্যাদির বেআইনী ব্যাংক ব্যবসা । তৃতীয় খন্ড । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন ঘোষণা দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করিতে হইবে এবং এইরূপ প্রকাশনার পর, উক্ত কোম্পানী বা উহার প্রধান নির্বাহী বা উহার কোন পরিচালক, ম্যানেজার, কর্মকর্তা, কর্মচারী বা প্রতিনিধি, বা ধারা ৫৪ এর উপ-ধারা (১), (৩) বা (৪) অথবা ধারা ৫৫ তে উল্লিখিত অন্য কোন ব্যক্তি উক্ত ঘোষণা সম্পর্কে অবহিত নহেন এই প্রকার কোন অজুহাত দেখাইতে পারিবেন না।

(৩) এই খণ্ডের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত কোন ঘোষণা, উহাতে উল্লিখিত কোন বিষয়ের ব্যাপারে চূড়ান্ত সাক্ষ্য হইবে।

৫৩। ধারা ৫২ এর অধীন প্রদত্ত ঘোষণার পরিণতি। কোন ব্যাংক-কোম্পানী বা অন্য কোন ব্যক্তি সম্পর্কে ধারা ৫২ (১) অধীন কোন ঘোষণা প্রকাশিত হইলে, উক্ত কোমপানী বা উক্ত ব্যক্তি উহার বা তাহার সকল কাজ ও লেনদেন হইতে বিরত থাকিবে, এবং উক্ত ঘোষণা প্রকাশনার পর, উত্ত কোমপানী বা ব্যক্তি, বা উহার বা তাঁহার পক্ষে কার্যরত কোন ব্যক্তি, বা অনুরূপভাবে কার্যরত বলিয়া বিবেচিত কোন ব্যক্তির সহিত কোন লেনদেন করা হইলে, উক্ত লেনদেন অকার্যকর হইবে।

৫৪। নগদ জমা এবং সম্পদ সংরক্ষণ ইত্যাদি।– (১) ধারা ৫৩ তে বিধৃত যাহাই থাকুক না কেন, কোন ব্যাংক-কোম্পানী বা অন্য কোন ব্যক্তি সম্পর্কে ধারা ৫২ (১) এর অধীন কোন ঘোষণা প্রকাশিত হইলে, উক্ত কোমপানী বা ব্যক্তির বা উহার বা তাঁহার পক্ষে কোন ব্যক্তির দখলে, তত্ত্বাবধানে, নিয়ন্ত্রণে বা জিম্মায় আছে এমন সব টাকা পয়সা, স্থাবর সম্পত্তি, শেয়ার, সম্পত্তির মতু দলিল বা অন্য কোন দলিল, যত শীঘ্র সম্ভব, কোন নুতন ব্যাংক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতা প্রদত্ত কোন ব্যক্তির নিকট জমা রাখিতে হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী উহাতে উল্লিখিত কোন ব্যক্তি যদি কোন টাকা পয়সা, স্থাবর সম্পত্তি, শেয়ার, সম্পত্তির যত্ন- দলিল বা অন্য কোন দলিল ধারা ৫২ (১) এর অধীন প্রদত্ত ঘোষণা প্রকাশিত হওয়ার দুই দিনের মধ্যে জমা রাখিতে ব্যর্থ হয়, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি যে কোন অংগনে প্রবেশ করিতে, উহা তল্লাশী করিতে এবং উক্ত টাকা পয়সা, সম্পত্তি, শেয়ার, যত্ন-দলিল বা অন্য কোন দলিল আটক করিয়া উপ-ধারা (১) অনুযায়ী জমা রাখিতে পরিবেন।

(৩) ধারা ৫৬ এর মীন আবেদনের ভিত্তিতে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত সরকারী অবসায়ক, সরকারী আমমোক্তার অস্থায়ী- রিসিভার বা সরকারী সিরিভার কর্তৃক ধারা ৫২ (১) এর অধীন ঘোষণায় উল্লিখিত কোন কোম্পানী বা ব্যাক্তির সকল বহি, হিসাবের খাতাপত্র, দলিল, নথিপত্র এবং সম্পদের দখল বা তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত উক্ত কোম্পানীর প্রধান নির্বাহী বা পরিচালক বা উক্ত কোম্পানী বা ব্যক্তির ম্যানেজার, কর্মকর্তা এবং প্রতিনিধি, বা অন্য কোন ব্যক্তি যাহার দখলে বা তত্ত্বাবধানে, নিয়ন্ত্রণে বা জিম্মায় উক্ত বহি, হিসাবের খাতাপত্র, দলিল, নথিপত্র বা সম্পদ থাকে উহা রক্ষণ করিবেন, এবং উক্তরূপ রক্ষিত অবস্থায় উহার কোন লোকসান বা ক্ষতি হইলে তজ্জন্য তিনি দায়ী থাকিবেন।

(৪) ধারা ৫২ (১) এর অধীন ঘোষণায় উল্লিখিত কোন কোম্পানী বা ব্যক্তির নিকট ঋণী রহিয়াছে এমন কোন ব্যক্তি উ ঘোষণা প্রকাশিত হইবার তারিখ হইতে উক্ত কোম্পানীর অবসায়নের আদেশ বা আদালতের রায় প্রদানের তারিখ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে উপ-ধারা (১)-এ বিধৃত পদ্ধতিতে ঋণ পরিশোধ করিবেন এবং তৎসম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংককে লিখিতভাবে অবহিত করিবেন।

(৫) ধারা ৫২ (১) এর অধীন ঘোষণায় উল্লিখিত কোন কোম্পানী বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন মামলা, আপীল বা দরখাস্ত অথবা অনুরূপ মামলা, আপীল বা দরখাস্ত হইতে উদ্ভূত কোন কার্যধারা এই আইন প্রবর্তনের পূর্বে বিচারাধীন থাকিলে, ধারা ৫২ (২) এর অধীনে ঘোষণা প্রকাশিত হইবার তারিখ হইতে উক্ত কোম্পানীর অবসারণের আদেশ বা আদালতের রায় প্রদানের তারিখ পর্যন্ত সময়কাল Limitation Act, 1908 (IX of 1908) এ বিধৃত তামাদিকাল গণনার ক্ষেত্রে বাদ দেওয়া হইবে ।

কোম্পানী, ইত্যাদির বেআইনী ব্যাংক ব্যবসা । তৃতীয় খন্ড । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

৫৫। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট সম্পদ এবং দায় সম্বলিত বিবৃতি দাখিল। কোন ব্যাংক-কোম্পানী বা ব্যক্তি সম্পর্কে ধারা ৫২ এর অধীন ঘোষণা প্রকাশিত হইবার তিন দিনের মধ্যে বা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক মঞ্জুরীকৃত বর্ধিত সময়ের মধ্যে উত্ত কোমপানীর প্রধান নির্বাহী এবং প্রত্যেক পরিচালক, এবং উক্ত কোম্পানীর বা ব্যক্তির ম্যানেজার, কর্মকর্তা ও প্রতিনিধি, এবং উত্ত কোম্পানী বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে কোন দাবীদার, তাঁহার হেফাজতে উক্ত কোম্পানীর বা ব্যক্তির যে সকল সম্পদ রক্ষিত আছে তৎসম্পর্কে একটি বিবৃতি বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট দাখিল করিবেন।

৫৬। অবসারণ ইত্যাদির জন্য আনুসংগিক বিধান।- (১) ধারা ৫২ (১) এর অধীন কোন ঘোষণা কোন ব্যক্তি বিশেষ বা কোম্পানীর সম্পর্কে না হইয়া কোন ব্যক্তি সমষ্টি সম্পর্কে হইয়া থাকিলে, উক্ত ব্যক্তি সমষ্টি কোম্পানী আইনের Part IX এর অধীনে অবসায়নযোগ্য অনিবন্ধনকৃত কোম্পানী হিসাবে গণ্য হইবে।

(২) কোন নিবন্ধনকৃত বা অনিবন্ধনকৃত কোম্পানী সম্পর্কে ধারা ৫২ (১) এর অধীন কোন ঘোষণা প্রকাশিত হইলে উ প্রকাশনার তারিখ হইতে সাত দিনের মধ্যে বা সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে বর্ণিত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক পেশকৃত দরখাস্তের ভিত্তিতে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত কোম্পানী সম্পর্কে অবসারণের আদেশ দিতে পারিবে।

(৩) ধারা ৬৪ ৬৬ ৩ ৭৬ ব্যতীত ষষ্ঠ খন্ড এবং সপ্তম খণ্ডের বিধানাবলীর যতটুকু কোন ব্যাংক-কোম্পানীর অবসারণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় ততটুকু উপ-ধারা (২) এর অধীন পেশকৃত দরখাস্ত এবং উহার অনুবর্তী কার্যধারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে ।

(8) Insolvency Act, 1920 (V of 1920) কে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ৫২ (১) এর অধীনে প্রদত্ত কোন ঘোষণা কোন ব্যক্তি বিশেষ সম্পর্কিত হইলে, উক্ত ঘোষণা উক্ত বারিকে দেউলিয়া ঘোষণা করার জন্য একটি যথেষ্ট কারণ হিসাবে বিবেচিত হইবে, এবং তাহাকে দেউলিয়া ঘোষণা করিবার ক্ষমতাসমপন্ন আদালত, উক্ত ধারার উপ-ধারা (২) এর অধীন ঘোষণাটি প্রকাশিত হইবার সাত দিনের মধ্যে বা সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে বর্ধিত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক পেশকৃত সাদাতের ভিত্তিতে এবং অন্য কোন প্রমাণ ছাড়াই উক্ত ব্যক্তিকে দেউলিয়া ঘোষণা করিয়া আদেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং উত্ত দেউলিয়ার সম্পত্তি বন্টন ও পরিচালনার ব্যাপারে উক্ত Act এর বিধানাবলী অনুসরণ করা হইবে।

তবে শর্ত থাকে যে, পরবর্তীতে উক্ত আদেশ রদ করিতে বা উক্ত ব্যক্তির দায় সম্পর্কিত কোন আপোষ রফা বা অন্য কোন ব্যবস্থা অনুমোদন করিতে উচ্চ আদালতের কোন ক্ষমতা থাকিবে না।

কোম্পানী, ইত্যাদির বেআইনী ব্যাংক ব্যবসা । তৃতীয় খন্ড । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

ব্যাংক কোম্পানী সম্পর্কিত কতিপয় তৎপরতার উপর বিধি-নিষেধ । চতুর্থ খন্ড । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট – ৪

৫৭। ব্যাংক-কোম্পানী সম্পর্কিত কতিপয় তৎপরতার শাস্তি। (১) কোন ব্যক্তি

(ক) ব্যাংক কোম্পানীর কোন দপ্তরে বা কার্যস্থলে আইনানুগভাবে অন্য কোন ব্যক্তির প্রবেশে বা তথা হইতে বহির্গমনে বা তথায় কোন কার্যা সম্পাদনে বাধা সৃষ্টি করিবেন না, অথবা

(খ) ব্যাংক কোম্পানীর কোন দপ্তরে বা কার্যস্থলে উগ্রভাবে কোন মিছিল করিবেন না বা ব্যাংক-কোম্পানীরক স্বাভাবিক কার্যকলাপে ও লেনদেনে ব্যাঘাত সৃষ্টিকারী বা ব্যাঘাত সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত কোন কার্য করিবেন। না, বা

(গ) ব্যাংক কোম্পানীর উপরে উহার আমানতকারীর আস্থা নষ্ট করিবার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে কোন কিছু করিবেন না।

(২) কোন ব্যক্তি যুক্তিসংগত কারণ ব্যতিরেকে উপ-ধারা (১) এর বিধান ভংগ করিলে, তিনি অনুর্ধ্ব দুই বৎসরের কারাদণ্ডে বা অনুর্ধ বিশ হাজার টাকা অর্থ দন্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

(৩) এই ধারায় ব্যাংক কোম্পানী” বলিতে বাংলাদেশ ব্যাংককেও বুঝাইবে।

আরও পড়ুনঃ

মন্তব্য করুন