ব্যাংককোম্পানী আইন বিবিধ । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১

ব্যাংককোম্পানী আইন বিবিধ । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১

ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১

[ ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত সংশোধিত ]

ব্যাংককোম্পানী আইন বিবিধ । ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১

ব্যাংককোম্পানী আইন বিবিধ । অষ্টম খন্ড। ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

১০৯। দণ্ড।- (১) যদি কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন লাইসেন্স প্রাপ্ত না হইয়া ব্যাংক ব্যবসা করেন বা ব্যাংক ব্যবসা করার জন্য প্রাপ্ত লাইসেন্স বাতিল হইয়া যাওয়ার পরেও ব্যাংক ব্যবসা করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৭ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) যদি কোন ব্যক্তি এই আইনের কোন বিধানের প্রয়োজন মোতাবেক বা উহার অধীন বা উহার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে তলবকৃত বা দাখিলকৃত কোন বিবরণ, প্রতিবেদন, ব্যালান্স শীট বা অন্যান্য দলিল বা কোন তথ্যে, ইচছাকৃতভাবে এবং তাহার অজ্ঞাতসারে, কোন গুৰুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা তথ্য বা বিবৃতি প্রদান করেন, অথবা ইচছাকৃতভাবে এবং তাহার জ্ঞাতসারে, অনুরূপ বিষয়ে তথ্য বা কোন বিবৃতি প্রদান না করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক তিন বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৩) ধারা ২৭ (১) ও (২) এর বিধান লঙ্ঘন করিয়া কোন ব্যাংক-কোম্পানী অগ্রিম প্রদান করিলে, উহার যে সকল পরিচালক বা কর্মকর্তা উক্ত অগ্রিম প্রদানের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন তাহাদের প্রত্যেককে উক্ত লঙ্ঘনের জন্য দোষী বলিয়া গণ্য হইবেন এবং অনধিক তিন বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনধিক বিশ হাজার টাকা অর্থ দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

(৪) যদি কোন ব্যক্তি ধারা ৪৪ (২) এর অধীনে কোন বহি, হিসাব-নিকাশ, বা অন্য কোন দলিল দাখিল করিতে, অথবা কোন বিবরণ বা তথ্য সরবরাহ করিতে, অথবা ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্ত বা পরীক্ষার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার কোন প্রশ্নের জবাব দিতে অসম্মত হন, তাহা হইলে তিনি এই অসম্মতির জন্য অনধিক দুই হাজার টাকা অর্থ দণ্ডে দন্ডনীয় হইবেন, এবং যদি উক্ত অসম্মতি অব্যাহত থাকে, তাহা হইলে উক্ত অসম্মতির প্রথম দিনের পর প্রত্যেক দিনের জন্য অতিরিক্ত অনধিক একশত টাকা অর্থ দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

(৫) ধারা ৪৪ (৫) (ক) এর অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ লঙ্ঘন করিয়া কোন ব্যাংক-কোম্পানী কোন আমানত গ্রহণ করিলে, উহার যে সকল পরিচালক বা কর্মকর্তা উক্ত গ্রহণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন তাহাদের প্রত্যেকে উক্ত লঙ্ঘনের জন্য দোষী বলিয়া গণ্য হইবেন এবং তিনি উক্ত জামানতের অনধিক দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

(৬) যদি কোন ব্যক্তি ধারা ৭৭ (৭) এর অধীন মঞ্জুরীকৃত কোন স্কীমের শর্ত বা কর্তব্য পালনে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে তিনি অনধিক দুই হাজার টাকা অর্থ দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং যদি এই ব্যর্থতা অব্যাহত থাকে তাহা হইলে উক্ত ব্যর্থতার প্রথম দিনের পর প্রতি দিনের জন্য অতিরিক্ত অনধিক এক শত টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

(৭) যদি কোন ব্যক্তি এই আইনের অন্য কোন বিধান লঙ্ঘন করেন, বা তদধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ বা নির্দেশ বা আরোপিত কোন শর্ত বা প্রণীত কোন বিধি লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত লঙ্ঘনের জন্য অনধিক দুই হাজার টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডনী হইবেন, এবং যদি উক্ত লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহা হইলে উক্ত লঙ্ঘনের প্রথম দিনের পর প্রতিদিনের জন্য অতিরিক্ত অনধিক একশত টাকা অর্থ দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

(৮) এই আইনের কোন বিধান লঙ্ঘনকারী ব্যক্তি, অথবা তদধীন কোন আদেশ বা নির্দেশ বা আরোপিত শর্ত বা প্রণীত কোন বিধি লঙ্ঘনকারী ব্যক্তি বা তদধীনে মঞ্জুরীকৃত কোন স্কীমের শর্ত বা কর্তব্য পালনে ব্যর্থ কোন ব্যক্তি যদি কোন কোম্পানী হয়, তাহা হইলে এইরূপ লঙ্ঘন বা ব্যর্থতা সংঘটিত হওয়ার সময় যে সকল ব্যক্তি উক্ত কোম্পানীর পরিচালক, ম্যানেজার, সচিব বা অন্য কোন কর্মকর্তা ছিলেন বা উক্ত কোম্পানীর কাজকর্ম পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং তজ্জন্য উহার নিকট কৈফিয়ত দিতে বাধ্য ছিলেন তাহাদের প্রত্যেক ব্যক্তি ও উ লঙ্ঘন বা ব্যর্থতার জন্য দোষী বলিয়া গণ্য হইবেন

তবে শর্ত থাকে যে, যদি উক্ত ব্যক্তি প্রমাণ করিতে পারেন যে, এইরূপ লঙ্ঘন বা ব্যর্থতা তাঁহার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হইয়াছে বা উহা প্রতিরোধ করিবার জন্য তিনি যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করিয়াছিলেন তাহা হইলে তিনি উত্তরূপ দোষী বলিয়া গণ্য হইবেন।

(৯) উপ-ধারা (৩), (৪), (৫), (৬) ও (৭) এর বিধান অনুসারে কেহ দণ্ডনীয় অপরাধ করিলে তাহার বিরুদ্ধে মামলা না করিয়া বাংলাদেশ ব্যাংক তাহাকে কেন অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করিবে না সে সম্পর্কে কারণ দর্শাইতে সুযোগ নিতে পারিবে এবং তাহার ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট না হইলে বা তিনি কোন ব্যাখ্যা প্রদান না করিলে বাংলাদেশ ব্যাংক তাহাকে উপরি উক্ত উপ-ধারাসমূহে উল্লিখিত যে কোন অংকের অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করিতে পারিবে।

(১০) উপ-ধারা (১) এর অধীন অর্থদণ্ড আরোপ করার ১৪ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উহা পরিশোধ করিলে তাহার বিরুদ্ধে উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত উপ-ধারাগুলির অধীন তৎকর্তৃক অপরাধের জন্য আর কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে না কিন্তু যদি তিনি উত্তরূপ সময়সীমার মধ্যে দণ্ডিত অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হন তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কৃত অপরাধের জন্য তাহার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করিবে।

ব্যাংককোম্পানী আইন বিবিধ । অষ্টম খন্ড। ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

১১০। ব্যাংক-কোম্পানীর চেয়ারম্যান, পরিচালক ইত্যাদি জনসেবক : ব্যাংক-কোম্পানীর চেয়ারম্যান, পরিচালক, নিরীক্ষক, অবসায়ক, ম্যানেজার এবং অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী Penal Code 1860 (Act XLV of 1860) এর Section 21 এ যে অর্থ জনসেবক (Public Servant) কথাটি ব্যবহৃত হইয়াছে সেই অর্থে জনসেবক (Public Servent) বলিয়া গণ্য হইবেন ।

১১১। অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ – ধারা ১০৯ এর অধীন সাধরণভাবে সকল অপরাধ বা তদধীন কোন নির্দিষ্ট অপরাধের ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতা প্রাপ্ত উহার কোন কর্মকর্তার লিখিত অভিযোগ ছাড়া কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ করিবেন না ।

১১২। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক শাস্তিমূলক কার্যধারা গ্রহণের পদ্ধতি : বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এই অধ্যাদেশের অধীন কোন ধারা লংঘন করার জন্য কোন ব্যাংক-কোম্পানীর বিরুদ্ধে আদালতের বিচারার্থ অপরাধ ব্যতীত অন্য কোন ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে চায়, তাহা হইলে উহাকে বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে একটি তদন্ত অনুষ্ঠান করিতে হইবে এবং উহাতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানীকে শুনানীর যুক্তিসংগত সুযোগ দিতে হইবে এবং এই প্রকার তদন্ত সমাপ্তির পর আইনানুগ শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে পারিবে।

১১৩। আদায়কৃত অর্থ ব্যবহার :– এই আইনের অধীন অর্থদণ্ড আরোপকারী কোন আদালত এই মর্মে নির্দেশ দিতে পারে যে, উক্ত অর্থ দণ্ড সম্পূর্ণ বা উহার কোন নির্দিষ্ট অংশ সংশ্লিষ্ট কার্যধারার খরচ বাবদ বা, ক্ষেত্রমত, যে ব্যক্তির সংবাদের ভিত্তি করিয়া উক্ত অর্থদন্ড আনায় করা হইয়াছে সেই ব্যক্তিকে পুরস্কার দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা যাইবে।

১১৪। প্রাইভেট ব্যাংক-কোম্পানীর জন্য বিশেষ বিধান :- কোন ব্যাংক-কোম্পানী প্রাইভেট কোম্পানী হইলে, উহাকে কোমপানী আইনের Sections 17. 77 83B. 86H, 918, 9ID এবং 144 (5) এর অধীন কোন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অব্যাহতি প্রদান করা যাইবে না।

১১৫। চেক দ্বারা প্রত্যাহারযোগ্য আমনত গ্রহনের উপর বাধা-নিষেধ – কোন ব্যাংক-কোম্পানী বা বাংলাদেশ ব্যাংক বা সরকার কর্তৃক, বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারিশক্রমে, এতদুদ্দেশ্যে বিজ্ঞাপিত কোন ব্যাংক প্রতিষ্ঠান, ফার্ম বা অন্য কোন ব্যক্তি ব্যতীত কোন ব্যাক্তি চেক দ্বারা প্রত্যাহারযোগ্য কোন আমানত গ্রহণ করিতে পারিবেন না।

তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার কোন কিছুই সরকার কর্তৃক পরিচালিত কোন সঞ্চয় ব্যাংক স্কীমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।

১১৬। ব্যাংক-কোম্পানীর নাম পরিবর্তন :- কোম্পনী আইনের Section 1 এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন আপত্তি নাই এই মর্মে প্রত্যয়নপত্র ব্যতীত সরকার কোন ব্যাংক-কোম্পানীর নাম পরিবর্তনের জন্য উহার অনুমোদন দিবে না।

১১৭। ব্যাংক-কোম্পানীর সংঘ স্মারক পরির্তন : কোম্পানী আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বাংলাদেশ ব্যংকের কোন আপত্তি নাই এই মর্মে প্রত্যয়নপত্র ব্যতীত কোন ব্যাংক-কোম্পানীর সংঘ স্মারক পবির্তনের কোন আবেদন গ্রহণযোগ্য হইবে না।

১১৮। কতিপয় ক্ষতিপূরণ দারী নিষিদ্য :– এই আইনের ধারা ১১, ১৫. ২৩, ৪৫, ৪৯, ৭৫ এবং ৭৭ এর বিধান কার্যকর হওয়ার বা এই আইনের অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ বা নির্দেশ কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক পালিত হওয়ার কারণে কোন ব্যক্তির কোন চুক্তি বা অন্য কোন ভিত্তিতে উদ্ভূত অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হইলে তজ্জন্য তিনি ক্ষতিপূরণের দাবী উত্থাপন করিতে পরিবেন না।

১১৯। তথ্য বিনিময় :– ব্যাংক-কোম্পানীসমূহের পরস্পরের মধ্যে গোপনীয়তার ভিত্তিতে, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তাহাদের- গ্রাহক সম্পর্কে তথ্য বিনিময় করিতে পরিবে।

১২০। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা :- (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংকের সহিত পরামর্শক্রে সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।

(২) বিশেষ করিয়া, এবং উপিরউক্ত ক্ষমতার সামগ্রিকতাকে ক্ষুণ্ণ না করিয়া, অনুরূপ বিধিতে নিম্ন বর্ণিত সকল অথবা যে কোন বিষয়ে বিধান করা যাইবে, যথা

(ক) এই আইনের অধীনে প্রয়োজনীয় রিটার্ণসমূহে যে সকল বিষয় অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে উহাদের বিবরণ

(খ) উক্ত রিটার্নসমূহ দাখিল করিবার পদ্ধতি

(গ) সরকারী অবসায়ক দেনাদারগণের যে তালিকা ষষ্ঠ এবং সপ্তম খণ্ডের বিধানাবলীল অধীন আদলতে দাখিল করিবেন সেই তালিকার ফরম

(ঘ) উক্ত তালিকায় যে সকল বিষয় অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে উহাদের বিবরণ

(ঙ) এই আইনের অধীন নিষিদ্বারা নিয়ন্ত্রণ করিতে হইবে বা করা যাইবে এইবুপ যে কোন বিষয় ।

(৩) এই ধারার অধীন প্রণীতব্য সকল বিধির প্রাক-প্রকাশনা করিতে হইবে এবং General Clauses Act, 1897 (X of 1897) এর Section 23 (3) অনুসারে নির্ধারিত তারিখে প্রস্তাবিত বিধি প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ছয় মাসের পূর্বে নির্ধারিত করা যাইবে না।

(৪) সরকার এই ধারার অধীন বিধি প্রণয়ন করিয়া দ্বিতীয় তফসিলে অনন্তর্ভূক্ত সকল বা যে কোন বিধান বাতিল বা পরিবর্তন করিতে পারিবে অথবা উহাতে সংযোজন করিতে পারিবে।

ব্যাংককোম্পানী আইন বিবিধ । অষ্টম খন্ড। ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

১২১। কতিপয় ক্ষেত্রে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা :– সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংকের সহিত পরামর্শক্রমে, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ঘোষণা করিতে পারে যে, এই আইনের সকল বা কোন বিশেষ বিধান, কোন নির্দিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানী বা সকল ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, সাধারণভাবে বা প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত কোন মেয়াদকাল প্রযোজ্য হইবে না।

১২২। সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্ম রক্ষণ :– আইনের অধীন সরল বিশ্বাসে কৃত কোন কিছুর জন্য বা সরল বিশ্বাসে কোন কিছু সম্পাদন করবার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বা সরল বিশ্বাসে কৃত কোন কাজের উদ্যোগ গ্রহণের ফলে কোন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হইলে, বা তাহার ক্ষতিগ্রস্ত হইবার সম্ভাবনা থাকিলে তজ্জন্য সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংকের বিরুদ্ধে বা উহাদের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোন মামলা বা অন্য কোন আইনগত কার্য ধারা দায়ের করা যাইবে না।

১২৩। রহিতকরণ ও হেফাজত :- (১) ব্যাংক-কোম্পানী অধ্যাদেশ, ১৯৯১ (অধ্যাদেশ নং ১৫, ১৯৯১) এতদ্বারা রহিত করা

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীনে রহিতকরণ সত্ত্বেও রহিতকৃত উক্ত Ordinance এর অধীন কৃত সব কিছু বা তদধীন প্রদত্ত ক্ষমতা বলে গৃহীত সকল ব্যবস্থা এই আইনের অধীন কৃত বা গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে যেন উহা কৃত বা গ্রহীত হইবার তারিখে এই আইন বলবৎ ছিল।

ব্যালান্স শীট ফরম

মূলধন ও দায় সম্পত্তি ও সম্পদ
১। মূলধনঃ-১

(ক) অনুমোদিত শেয়ার মূল্যায়নের পরিমাণ

(অ) মোট শেয়ারের সংখ্যা :– (আ) প্রতিটি শেয়ারের মূল (খ) বিলিযোগ্য শেয়ারের পরিমাণ

(অ) বিলিযোগ্য শেয়ারের সংখ্যা – (আ) প্রতিটি শেয়ারের মূল্য :-

(গ) প্রতিশ্রুত শেয়ারের পরিমাণ

(অ) প্রতিশ্রুত শেয়ারের সংখ্যা :-

(আ) প্রতিশ্রুত প্রতিটি শেয়ারের মূল্য :-

(ই) প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে যে অর্থ প্রদানের আহবান করা হইয়াছে —

(ঈ) শেয়ারের বিপরীতে অর্থ প্রদানের আহবানের পরে প্রদত্ত হয় নাই এইরূপ অর্থের পরিমান :-

(যাহা বাদ দিতে হইবে)

(এ) বাজেয়াপ্ত শেয়ার

(যোগ করুন) :-

টাকা ১। নগদ

যে পরিমান টাকা ব্যাংক কোম্পানীর নিজের কাছে, এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংকের নিকট গচ্ছিত আছে (বৈদেশিক মুদ্রাসহ) :—-

২। নগদ সম্মিতি এবং অন্যান্য নগদ :- ২। অন্যান্য ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা (চলতি হিসাবে বা আমানতে রাখা হইয়াছে তাহা উল্লেখ করিতে হইবে)

(ক) বাংলাদেশে – (খ) বাংলাদেশের বাহিরে

৩। আমানত ও অন্যান্য নগদ :-

স্থায়ী আমানত –

সঞ্চয়ী ব্যাংক আমানত –

চলতি হিসাব ঘটনা সাপেক্ষ হিসাব ইত্যাদি :-

৩। স্বল্প সময়ের নোটিশে পরিশোধের আহ্বানযোগ্য টাকার পরিমাণ—-
৪। অন্যান্য ব্যাংক কোম্পানী এজেন্ট ইত্যাদি হইতে গৃহীত ঋণঃ-

(ক) বাংলাদেশে :-

(খ) বাংলাদেশের বাহিরে :-

(গ) তথ্যাবলি

(অ) জামানত প্রদান ক্রমে গৃহীত ঋণ (প্রদত্ত জামানতের ধরণ উল্লেখ করিতে হইবে)ঃ-

(আ) বিনা জামানতে গৃহীত ঋণ :-

৪। বিনিয়োগ (মূল্যায়নের প্রকৃতি, যেমনঃ- খরচ ও বাজার মূল্য উল্লেখ করিতে হইবে :8

(ক) সরকারী ট্রেজারী বিলসহ সরকারী সমপত্তি নিদর্শনপত্র এবং অন্যান্য ট্রাষ্টী সমপত্তি-নিদর্শনপত্রঃ- (খ) শেয়ার (শ্রেণী বিন্যাসসহ, যথাঃ- অগ্রাধিকারমূলক সাধারণ, স্থগিত শেয়ার এবং অন্যান্য শেয়ার, সম্পূর্ণ পরিশোধিত শেয়ার, আংশিক পরিশোধিত শেয়ার আলাদাভাবে দেখাইতে হইবে):-

(গ) বন্ডের ডিবেম্বার-

(ঘ) অন্যান্য বিনিয়োগ (যথাযথ শিরোনামে শ্রেণীবিন্যাসসহ)ঃ-

(ঙ) স্বর্ণ :-

৫। পরিশোধযোগ্য বিল :-  ৫ ৷ অগ্রিম (গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে নিরীক্ষকগণ সন্তুষ্ট হইয়াছেন এইরূপ অনাদায়যোগ্য সন্দেহমূলক ঋণ ব্যতীত):-

(ক) ঋণ, নগদ ঋণ, ওভার ড্রাফট ইত্যাদি :-

(অ) বাংলাদেশে :-

(আ) বাংলাদেশের বাহিরে :-

(খ) বটাকৃত ও ক্রীত বিল

(সরকারের ট্রেজারী বিল ব্যতীত) :-

(অ) বাংলাদেশের পরিশোধযোগ্য :-

(আ) বাংলাদেশের বাহিরে পরিশোধযোগ্য :-

অগ্রিম সংক্রান্ত তথ্যাবলী

(ক) যে সকল ঋণের ব্যাপারে ব্যাংক-কোম্পানী সম্পূর্ণরূপে জামানত প্রাপ্ত হইয়াছে এইরূপ আদায়যোগ্য বলিয়া বিবেচিত ঋণ :-

(খ) আদায়যোগ্য বলিয়া বিবেচিত এমন সব ঋণ যাহা সম্পর্কে দেনাদার ছাড়াও অন্য এক বা একাধিক ব্যক্তির ব্যক্তিগত জামানতপ্রাপ্ত হইয়াছে :-

(গ) আদায়যোগ্য বলিয়া বিবেচিত এমন সব ঋণ যাহা সম্পর্কে দেনাদার ছাড়াও অন্য এক বা একাধিক ব্যক্তির ব্যক্তিগত জামানতপ্রাপ্ত হইয়াছে :-

(ঘ) অনাদায়যোগ্য বা সন্দেহমূলক ঋণ যাহা সম্পর্কে কোন ব্যবস্থা গৃহীত হয় নাই :-

(ঙ) ব্যাংক-কোম্পানীর কোন পরিচালক বা কর্মচারী কর্তৃক গৃহীত, বা অন্য কোন ব্যক্তির সহিত যৌথ বা একক দায়িত্বের ভিত্তিতে উক্ত পরিচালক বা কর্মচারী কর্তৃক গৃহীত, এইরূপ ঋণ যাহাতে উক্ত পরিচালক বা কর্মচারী কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক বা অংশীদার বা ব্যবস্থাপনা প্রতিনিধি হিসেবে বা কোন প্রাইভেট কোম্পানীর সদস্য হিসেবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ঃ-

(চ) সংশ্লিষ্ট বৎসরে ব্যাংক-কোমপানী কোন পরিচালক বা কোন কর্মচারীকে প্রদত্ত, বা অন্য কোন ব্যক্তির সহিত উক্ত পরিচালক বা কর্মচারীর একক বা যৌথ দায়িত্বে প্রদত্ত সাময়িক অগ্রিমসহ সকল অগ্রিমের মোট পরিমাণঃ-

(ছ) সংশ্লিষ্ট বৎসরে ব্যাংক-কোমপানীর কোন পরিচালক বা কোন কর্মচারীকে অনুমোদিত, বা অন্য কোন ব্যক্তির সহিত উক্ত পরিচালক বা কর্মচারীর একক বা যৌথ দায়িত্বের ভিত্তিতে অনুমোদিত, সাময়িক অগ্রিমসহ সকল প্রকার অগ্রিম, যাহতে উক্ত পরিচালক বা কর্মচারী কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বা প্রাইভেট কোমপানীর পরিচালক, অংশীদার বা ব্যবস্থাপনা প্রতিনিধি হিসাবে স্বার্থসংশ্লিষ্ট :-

(জ) অন্যান্য ব্যাংক-কোমপানীর নিকট হইতে প্রাপ্য অর্থ:-

৬। কন্ট্রা অনুসারে প্রাপ্য আদায়যোগ্য বিল (Bills for Collection being bills receivable as per contra)

(ক) বাংলাদেশ :-

(খ) বাংলাদেশের বাহিরে :-

৬। কন্ট্রা অনুসারে প্রাপ্য আদায়যোগ্য বিল (Bills receivable being bills for collection as per contra) :-

(ক) বাংলাদেশে :-

(খ) বাংলাদেশের বাহিরে :-

৭। অন্যান্য দায় -২ ৭। কন্ট্রা অনুসারে পরিগৃহীত, পৃষ্ঠাঙ্কিত ও অন্যান্য দায়িত্বের জন্য মোয়াক্কেলের দায় (Constituent’s liabilities for acceptances, endorsements and other obligations per contra)?-
৮। কন্ট্রা অনুসারে পরিগৃহীত, পৃষ্টান্কিত ও অন্যান্য দায় (Acceptances, Endorsements, and other obligations per contra) :- ৮। অংগনসহ ইমারত-৬ (ক্ষয়জনিত মূল্য হ্রাস বাদে) :-
৯। লাভ ও ক্ষতি :-

(ক) বিগত ব্যালান্সশীট মোতাবেক লাভ :-

উপযোজন (Less appropriation)

(খ) বর্তমান বৎসরের লাভ-ক্ষতির হিসাব হইতে প্রাপ্ত লাভ (যোগ করুন) :-

 ৯। রৌপ্যসহ অন্যান্য সমপদ – ৭ (নির্দিষ্ট বিবরণসহ) :-
 ১০। ঘটনা সাপেক্ষে দায়সমুহঃ-৩ ১০। ব্যাংক ব্যবসায় ব্যবহৃত নহে এইরূপ সমপদ যাহা দাবী পরিশোদের সূত্রে অর্জিত ৮

(মূল্যায়নের ভিত্তিতে বিবরণসহ) ঃ-

১১। লাভ ও ক্ষতি :- মোট :

ব্যাংককোম্পানী আইন বিবিধ । অষ্টম খন্ড। ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

১। মূলধন :-

(ক) মূলধনের বিভিন্ন শ্রেণী থাকিলে আলাদাভাবে উল্লেখ করিতে হইবে।

(খ) কোন চুক্তি অনুযায়ী নগদ টাকা পরিশোধ ব্যতিরেকে পূর্ণভাবে পরিশোধিত শেয়ার বরাদ্দ করা হইয়া থাকিলে তাহা আলাদাভাবে উল্লেখ করিতে হইবে।

(গ) পরিস্থিতি অনুসারে টোলযোগ্য মূলধন এবং প্রতিশ্রুত মূলধন এবং যে পরিমাণ মূলধণ পরিশোধের আহবান জানানো হইয়াছে তাহার একটি মাত্র দফায় দেখানো যাইতে পারে, যেমন :—–

বিলিযোগ্য এবং প্রতিশ্রুত মূলধন……………… টাকার মধ্যে ……………টাকার পরিশোধিত শেয়ার ।

(ঘ) বাংলাদেশের বাহিরে ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে ব্যাংক-কোম্পানী আদেশ, ১৯৯০ (নে ১৯৯০) এর ধারা ১৩ (৩) এর অধীন বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত আমানত এই করিতে হইবে, অবশ্য উক্ত আমানতের পরিমাণ কলামের বাহিরাংশে প্রদর্শন করিতে হইবে না।

২। এই শিরোনামে নিম্নবর্ণিত তথ্যাদি অন্তর্ভূক্ত করা যাইতে পারে, যথাঃ অবসর ভাতা বা ৰীমা অধীকৃত ডিভিডেন্ড, অগ্রিম এর মেয়াদ অভি হয় নাই এইরূপ বাট্রাকৃত অর্থ (Discounts) সাবসিডিয়ারী কোম্পানীর প্রাপ্য পায় এবং জন্য যে কোন মাছ এবং অন্য যে কোন দায়।

৩। এই শিরোনামে অন্তর্ভুক্ত বিষয়াবলীকে নিম্নরূপে শ্রেণীবিন্যাস করা যাইতে পারে ঃ-

(ক) ব্যাংক-কোম্পানীর বিরুদ্ধে উচ্চপিত এইরূপ নারী যাহা ঋণ হিসাবে স্বীকৃত নহে।

(খ) (১) ঘটনা-সাপেক্ষে পায়ের পরিমাণ এইরূপ ক্ষেত্রে ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক উহার কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর পক্ষে কোন দায় পরিশোধের জন্য নিশ্চয়তা প্রদত্ত হইয়া থাকিলে উহার পরিমাণ আলাদাভাবে দেখাইতে হইবে (২) সরকার, কোন ব্যাংক বা অর্থ লগ্নীকারী প্রতিষ্ঠান। অন্য কাহারো পক্ষে কোন পরিশোধের জন্য বা কোম্পানী কোন ঘটনা সাপেক্ষে নিশ্চয়তা প্রদান করিয়া থাকিলে তাহা আলাদাভাবে প্রদর্শন করিতে হইবে।

(গ) পুঞ্জীভূত অগ্রাধিকারমূলক ডিভিডেন্ড প্রদানের ক্ষেত্রে বকেয়ার পরিমাণ

(ঘ) পুনঃ ৰাষ্ট্ৰাকৃত বিনিময় বিল বাবদ দায়ের পরিমাণ

(ঙ) বকেয়া ফরোয়ার্ড এক্সচেজ কন্ট্রাক বিল বাবদ দায়।

৪। ব্যালাপ-শীটের বহিঃপ্রোতীয় কলামে প্রদর্শিত বিনিয়োগের পরিমাণ উহার বাজার মূল্য অপেক্ষা বেশী হইলে, উক্ত বাজার মূল্য আলাদাভাবে বন্ধনীর মধ্যে দেখাইতে হইবে।

৫। এই শিরোনামের অধীনে সংশ্লিষ্ট সম্পূর্ণ বৎসবে উপরিউক্ত সকল হিসাবের সংশ্লিষ্ট নগদ (Outstanding balance) এর বাজার  যোগফল একটি মাত্র ইউনিট হিসাবে দেখাইতে হইবে।

৬।

(ক) অংগনসহ ইমারত (ক্ষয়জনিত মূল্যহ্রাস বাদে)” শিরনামে ব্যাংক-কোম্পানীর পূর্ণ বা অধিক দখলভুক্ত সকল ইমারত ও উহার অংগনাদি প্রদর্শন করিতে হইবে।

(খ) মূলধনের স্থায়ী খরচ (Fixed capital expenditure) এর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বৎসরের মূল খরচ, অতিরিক্ত খরচ এবং এইরূপ খরচের হ্রাসকৃত পরিমাণ দেখাইতে হইবে। একইভাবে ক্ষয়জনিত মূল্যহ্রাস বাদ দেওয়া হইলে উহার মোট পরিমাণ যেক্ষেত্রে সমপদের পুনঃ মূল্যায়নের কারণে বা মূলধনের মূল্য হ্রাসের কারণে কোন অর্থ মুলধন হইতে বাদ দেওয়া হয় তাহার মোট পরিমানও আলাদাভাবে দেখাইতে হইবে।

(গ) উপরের (খ) দফায় উল্লিখিত বাদ দেওয়া অর্থ বা সম্পদের পুনঃ মূল্যায়ন যে ব্যালান্স-শীটে প্রদর্শিত হয় উহার পরবর্তী প্রতিটি ব্যালাপ-শীটে অনকূপভাবে বাদ দেওয়ার পর মূলধনের যে পরিমাণ দাঁড়ায় তাহা এবং তারিখসহ উত্তরূপ বাদ নেওয়া অর্থের পরিমাণ, দেখাইতে হইবে।

(ঘ) যে সকল আসবাব, দালানে স্থাপনের সরঞ্জামাদি এবং অন্যান্য সম্পদ পূর্ণতাপ্রাপ্ত হয় নাই উহাদের সম্পর্কে মূল্যহ্রাস দেখানোর প্রয়োজন নাই।

৭। এই শিরনামে অন্তর্ভূক্ত বিষয়াবলীকে নিম্নরূপে শ্রেণীবিন্যাস করা যাইতে পারে :-

(ক) সাবসিডিয়ারী কোম্পানীর শেয়ারে বিনিয়োগ

(খ) মজুদ আছে এইরুপ মনোহরী দ্রব্যাদি এবং ষ্ট্যাম

(গ) সংগৃহীত হয় নাই অথচ অর্জিত হইয়াছে এইরূপ সুদ, কমিশন এবং শেয়ারের উপর প্রাপ্ত দালালীর টাকা এবং ক্ষণপত্র ও প্রাপ্য অন্যান্য আয়

(ঘ) অগ্রিম আমানত ও অগ্রিম ভাড়া (3) প্রাথমিক সাংগঠনিক খরচ, সংস্কার ও উন্নয়নমূলক খরচ এবং পূর্ব -পরিশোধিত খরচ

(চ) শাখাসমূহের সমন্বয় (ছ) অনিশ্চয়তামূলক হিসাব

৮। প্রদর্শিত মূলা বাজার মূল্যের বেশী হইবে না এবং বাজার মূল্য নির্ধারিত করা সম্ভব না হইলে নির্ভরযোগ্য অনুমানিক মূল্য।

সাধারণ নির্দেশাবলী :- যে বছরের লাভক্ষতির হিসাব দেখানো হয় উহার পূর্ববর্তী বছরের সংশ্লিষ্ট সংখ্যা (নির্দেশিত হইে পূর্ণ টাকা অকে) আলাদা কলামে প্রদর্শিত হইবে।

ব্যাংককোম্পানী আইন বিবিধ । অষ্টম খন্ড। ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

লাভ ক্ষতির হিসাবের ফরম

———– তারিখ সমাপ্ত বৎসরের লাভ ক্ষতির হিসাব

ব্যয়

আয়

(অনাদায়যোগ্য ও সন্দেহমূলক ঋণ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ও সচরাচর গৃহীত ব্যবস্থা বাবদ খরচ বাদ দিতে হইবে)

১। আমানত ঋণ ইত্যাদির উপর প্রদত্ত সুদ :- ১। সুদ ও বা বাট্টাকরণ –
২। বেতন, ভাতা ভবিষ্যৎ তহবিলে প্রদত্ত অর্থ  (ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ব্যবস্থাপক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রদত্ত বেতন ও ভাতা পৃথকভাবে দেখাইতে হইবে) :- ২। কমিশন, বিনিময় ও দালালী ঃ
৩। পরিচালক এবং স্থানীয় কমিটি সদস্যগণের ফিস ও ভাতা ৩। ভাড়া
৪। ভাড়া করা, বীমা, আলো ইত্যাদির খরচ :- ৪। বিনিয়োগ, স্বর্ণ, এবং রৌপ, জমি, অংগন, ইমরাত এবং অন্যান্য সমপদ বিক্রী বাবদ নীট মুনাফা –
৫। আইনগত কার্যধারা বাবদ খরচ :- ৫। ব্যাংক ব্যবসায় ব্যবহৃত নয় এইরূপ সম্পদ হইতে প্রাপ্ত আয়, এবং এইরূপ সম্পদ বিক্রী বা লেন-দেন জনিত মুনাফা :-
৬। ডাকটিকেট, টেলিগ্রাম, স্ট্যাম :- ৬। অন্যান্য প্রাপ্তি :-
৭। নিরীক্ষকের ফিস :- ৭। ক্ষতি (যদি থাকে) :-
৮। ব্যাংক-কোমপানীর সমপত্তির মেরামত ও মূল্য হ্রাসজনিত খরচ :-
৯। মনোহারী, মুদ্রণ, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি :-
১০। ব্যাংক ব্যবসায় ব্যবহৃত হয় না এইরূপ সমপদ বিক্রী বা লেন-দেন জনিত ক্ষতি –
১১। অন্যান্য খরচঃ-
১২। লাভের ব্যালান্স :-
মোট………… মোট…………

দেনাদারগণের তালিকা প্রণয়ন সংক্রান্ত নীতিমালা

ব্যাংককোম্পানী আইন বিবিধ । অষ্টম খন্ড। ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ । পরিশিষ্ট - ৪

১। সরকারী অবসায়ক, সময় সময়, দেনাদারগণের তালিকা হাইকোর্ট বিভাগে দাখিল করিবেন এবং এইরূপ প্রতিটি তালিকা এফিডেভিটসহ প্রত্যায়ন করিবেন।

২। উক্ত প্রতিটি তালিকায় নিম্নবর্ণিত তথ্যাদি থাকিবে, যথা :-

(ক) দেনাদারগণের নাম ও ঠিকানা,

(খ) দেনাদারগণের প্রত্যেকের নিকট হইতে ব্যাংক-কোম্পানীর প্রাপ্য পাওনা

(গ) সুদ ধার্য করা হইলে উহার হার এবং প্রতিটি দেনাদারের ক্ষেত্রে যে তারিখ পর্যন্ত সুদ গণনা করা হইয়াছে সেই তারিখ

(ঘ) কোন কাগজপত্র, বিবরণ ও দলিল থাকিলে প্রতিটি ঋণের ক্ষেত্রে উহাদের বর্ণনা

(ঙ) প্রত্যেক দেনাদারের বিরুদ্ধে প্রার্থীত প্রতিকার।

৩।

(ক) যে ঋণের বিপরীতে ব্যাংক-কোম্পানী ব্যক্তিগত জামানত ব্যতীত অন্য কোন জামানত ধারণ করে এবং যে ঋণের বিপরীতে উহা কোন জামানত ধারণ করে- এই দুই প্রকার ঋণ উত্তরূপ প্রতিটি তালিকায় সরকারী অবসাকে আলাদাভাবে প্রদর্শন করিবেন।

(খ) জামানতদাতা দেনাদারগণের ক্ষেত্রে, ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক দাবীকৃত জামানতের বিবরণ, এবং সম্ভব হইলে উক্ত জামানতের আনুমানিক মূল্য এবং উক্ত জামানতে কোন স্বার্থ আছে বা জামানতের সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের অধিকার আছে এইরূপ ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণের নাম, ঠিকানা উক্ত তালিকার অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে।

(গ) কোন দেনা পরিশোধের ব্যাপারে কোন জামিন প্রদত্ত হইয়া থাকিলে জামিনদার বা জামিনদারগণের নাম, ঠিকানা ও সেই ব্যাপারে তাঁহাদের প্রত্যেকের দায়ের সীমা এবং সংশ্লিষ্ট দলিলাদী।

৪। কোন দেনাদারের নাম তালিকাভুক্ত হওয়ার পূর্বে বা পরে যে কোন সময়ে কিন্তু উক্ত তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পূর্বেই, তিনি দেউলিয়া ঘোষিত হইলে তাঁহার যত্ন নিয়োগী বা, ক্ষেত্রমত, তাঁহার বিষয়-সম্পত্তির রিসিভারের নাম ও ঠিকানা উক্ত তালিকায় উল্লেখ বা, ক্ষেত্রমত, যুক্ত করিতে হইবে।

৫। কোন দেনাদারের নাম উত্তরূপ তালিকাভুক্ত হওয়ার পূর্বে বা পরে, কিন্তু উক্ত তালিকা চূড়ান্তকরণের পূর্বে, তাহার মৃত্যু হইলে, সরকারী অবসায়ক সম্ভবত উক্ত দেনাদারের স্থলে তাঁহার বৈধ প্রতিনিধির নাম স্থলাভিষিক্ত করিবেন।

আরও পড়ুনঃ

মন্তব্য করুন