ব্যাংকের মূলধন পরিকল্পনা [ Bank Capital Planning ]

ব্যাংকের মূলধন পরিকল্পনাঃ যথাযথ মূলধন গুপ্ত মূলধন নিন নির্ধারণ প্রক্রিয়াকে ব্যাংক পুঁজি পরিকল্পনা বলা যেতে পারে। ব্যাংকের সামগ্রীক কার্যক্রমের প্রেক্ষিতে কোন নির্দিষ্ট সময়ে মোট পুঁজির স্তর কত হবে তা নির্ধারণ করে আভ্যন্তরীণ উৎস তথা মালিকের পুঁজি ও বহিঃ উৎস বা ধার থেকে লব্ধ পুঁজি কত হবে তা নিরাপন করার নামই পুঁজি কাঠামো তথা পুঁজি পরিকল্পনা। ব্যাংক পুঁজি নির্ধারণ বা কাঠামো নির্ধারণ কালে পুঁজি বায় নিম্ন স্তরে করে মুনাফার লক্ষ্য মাত্রা অর্জন ও ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ এ দুটি বিষয়ের উপর সমধিক গুরুত্ব রাখতে হয়। নিম্নের চিত্রটি থেকে ব্যাপারটি পরিষ্কারভাবে বুঝা যায়।

ব্যাংকের মূলধন পরিকল্পনা [ Bank Capital Planning ]

ব্যাংকের মূলধন পরিকল্পনা [ Bank Capital Planning ]

লক্ষ্য
শেয়ার হোল্ডারদের সম্পত্তি সর্বাধিকরণ

 

কৌশলগত পরিকল্পনা
দীর্ঘকালীন বৃদ্ধি এবং মুনাফা লক্ষ্ অর্জন

 

মুনাফা পরিকল্পনা
বার্ষিক বৃদ্ধি এবং মুনাফা লক্ষ্যমাত্রা

 

          পরিকল্পিত মূলধন কাঠামো                                                                                                            পরিকল্পিত লভ্যাংশ

 

লক্ষ্যমাত্রা মুলধন কাঠামো                                                                                  লক্ষ্যমাত্রা লভ্যাংশ কৌশল

অর্থ সংস্থানের পরিকল্পনা
তহবিল খরচ
সর্বনিম্ন করণ

ব্যাংক ব্যবসার সম্পদ সরবাধিকরণ লক্ষ্য অর্জনে মূলধন কাধাম সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত সমূহ সুস্থভাবে দক্ষতার সংগে গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ব্যাংকের নামাজি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নিজস্ব মূলধনের পাশাপাশি মূলধনের ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। তাই মূল একটি ব্যাংকের প্রয়োজনে বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত বা ব্যবহৃত মূলধনের সমষ্টিকে সুখে থাকি। ব্যাংকে। কার্যক্রম অব্যাহত গতিতে চলমান রাখার জন্য প্রতিনিয়ত মূলধনের প্রয়োজন।

একটি উৎস থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে পারে। উৎস চারটি হলো ক্ষ সাধারণ শেয়ার অগ্রাধিকার মুক্ত শেখার, সংরক্ষিত আয়। সাধারনত প্রায় প্রতিটি ব্যাংকের বিভিন্ন অনুপাতে এই উৎসগুলোর একটা সমন্বয় নাকে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ তহবিলের উৎস যেমন- ঋণপত্র দীর্ঘমেয়াদী ঋণ অগ্রাধিকার শেয়ার মূলধন এবং সতিবি উদ্বৃত্ত সহ সাধারণ শেয়ার মূলধনের সমন্বয়কে মূলধন কাঠামো বা Capital Structure বলে। মূলধন কাঠামোর সাথে চলতি দেনা যুক্ত হলেই সেটি মূলধন কাঠামোতে পরিণত হয়।

ব্যাংকের মূলধন পরিকল্পনা [ Bank Capital Planning ]

ব্যাংক মূলধন পরিকল্পনা প্রক্রিয়া [ Bank Capital Planning Process ]

ব্যাংকের সামগ্রীক সম্পত্তি ও স্থায় ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ায় ব্যাংক পুঁজি পরিকল্পনার অংশ মাত্র। ম বছরের প্রত্যাশিত মুনাফার হার লক্ষ্য স্থির করে ব্যাংকের পুঁজি পরিকল্পনার প্রথম ধাপ শুরু হয়। সুদ ও বহির্ভূত আয় অপর পক্ষে সুদ ও সুহ বহির্ভূত খরচ নির্দিষ্ট ভবিষ্যৎ বছরগুলোতে অনুমান করে মুনাফার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করার পদক্ষেপ গ্রহণ কালেই ব্যাংক পুঁজি পরিকল্পনা করে থাকে। ব্যাংকের পুঁজি পরিকল্পন সহজভাবে তিনটি ধাপে সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। যথাঃ

(১) ব্যাংকের উদ্বৃত্ত পত্র ও আয় ব্যয়ের হিসাবের নমুনা তৈরী করণ ঃ

Generate Proforma balance sheets and income statements for the bank,

(২) প্রদের লভ্যাংশ অনুমান করাঃ

Assume/Select a dividend layout

(৩) বহিঃপূজি আহরনের বিকল্প উৎস সমূহের সংগ্রহ খরচ ও সুবিধা বিশ্লেষণ করে দেখাঃ

Analyze the costs and benefits of Alternative sources of external capital. ব্যাংকের সম্পত্তি অর্থায়নে কত অর্থ প্রয়োজন তা নিরূপণ করা প্রথম ধাপের কাজ। প্রত্যাশিত সম্পত্তি প্রত্যাশিত ঋণের অবশিষ্ট মোট পুঁজির সমান। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পুঁজি অবশ্যই বিধিগত নিম্ন পুঁজির সমান হতে হবে।

ব্যাংকের মূলধন পরিকল্পনা [ Bank Capital Planning ]

দ্বিতীয় ধাপে, আভ্যন্তরীণ উৎস ও বহিঃউৎস থেকে প্রাপ্ত পুঁজির পরিমাণ অনুমান করে দেখা হয়। লভ্যাংশে প্রধান না করলে বহিঃ পুঁজির উপর নির্ভরশীলতা কম থাকে। লভ্যাংশ প্রদান করলে এরূপ বহিঃপুঁজির পর নির্ভরতা বেড়ে যায়। লভ্যাংশ প্রদান করলে মূলধনের উপর চাপ প্রয়োগ করলেও শেয়ার হোল্ডারদের প্রত্যাশা তথা বাজারে ব্যাংকের সুনাম রক্ষার জন্য লভ্যাংশ ঘোষনা করতে হয়। লভ্যাংশের হারের তারতম্যের উপর বহিঃপুঁজির নির্ভরতার তারতম্য হয়ে থাকে।

তৃতীয় ধাপে ব্যাংক ব্যবস্থাপনাকে বহিঃপুঁজি উৎসের বিকল্প সমূহের আপেক্ষিক সুবিধা অসুবিধা মূল্যায়ন করে দেখতে হয়। ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার নিরিখে কোন একটি বিকল্পে অতিমাত্রায় নির্ভরশীলতা পরিহার করা উচিৎ। কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজন বোধে যে কোন বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের সম্ভাবনাকে বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ নয়।

আরও পড়ুনঃ

 

মন্তব্য করুন