“মুকিতাল ব্যাংক কেস” [ কেস নম্বর ১৫ ]

 “মুকিতাল ব্যাংক কেস”

 “মুকিতাল ব্যাংক কেস” [ কেস নম্বর ১৫ ]

“মুকিতাল ব্যাংক কেস

মুকিতাল ব্যাংক ৬০,০০০ ইউ এস ডলার মূল্যমানের এক সেট জাহাজীকরণ দলিল একটি প্রত্যয়পত্রের বিপরীতে ক্রয় করেছিল। দলিল পত্রাদি হাতে পাবার পর ওপেনিং ব্যাংক জাহাজী দলিল তামাদি (Expired) এর অজুহাত নেগোটিগ্রেটিং ব্যাংককে অভিযোগ করে।

ঐ প্রভায়পত্রে মেয়াদের ব্যাপারে এই ধরনের শর্ত ছিল যে, এল সি-র মেয়াদ ওপেনিং ব্যাংক-এর কাউন্টারে উত্তীর্ণ হবে। যদিও দেয়া পূর্তির পূর্বেই দলিলগুলি সমঝোতা করা হয়েছিল, কিন্তু তা ওপেনিং ব্যাংকের কাউন্টারে এল সি-র মেয়াদ উত্তীর্ণের পরে পৌঁছায়।

এতদসত্ত্বেও আশাহত বিক্রেতা (রপ্তানীকারক) পশ্চাগুলি নিলামে বিক্রি করে তার দাম উঠানের জন্য উহা শুল্ক কর্তৃপক্ষ কদর কর্তৃপক্ষ শিপিং কোম্পানী অথবা অন্য ক্রেতার কাছে প্রেরণ করতে ব্যর্থ হয়। এখানে নেগোশিয়েটিং (সমঝোতাকারী) ব্যাংক ও বিক্রেতার অবস্থা বিবেচনা কর।

 “বিল ক্রয় কেস” [ কেস নম্বর – ১৬ ]

ব্যাংক ৮০,০০০ ডলার মূল্যমানের ৯০ দিনের একটি বিলম্বে পরিশোধ বিল একটি প্রত্যয়পত্রের বিপরীতে ক্রয় (Negotiate) করেছিল। ওপেনিং ব্যাংক সমস্ত কাগজপত্র বুঝে পেয়ে নেগোশিয়েটিং ব্যাংকে “স্বীকারোক্তি” আপন করলো। মেয়াদ পূর্তির পূর্বেই Conservatory arnest” আইনের আওতায় ক্রেতা কোর্টের মাধ্যমে যাবতীয় দেনা পরিশোষের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল। তখন নেগোশিয়েটিং ব্যাংক (U.C.P.D.C.) এর আওতায় ওপেনিং ব্যাংককে টাকা পরিশোধের ব্যাপারে চাপ দিল। কিন্তু ওপেনিং ব্যাংক নেগোশিয়েটিং ব্যাংককে এই মর্মে জানিয়ে দিল যে, কোর্টের আদেশের বাইরে তারা কোন টাকা পরিশোধ করতে পারবে না। ব্যাংক বিষয়ের একটি ছাত্র/ বা একজন কর্মকর্তা হিসেবে কেসটি বিশ্লেষণ কর।

“মুকিতাল ব্যাংক কেস

“XYZ ব্যাংক কেস” [ কেস নম্বর ১৭ ]

XYZ ব্যাংক হিমায়িত চিংড়ী মাছ জাহাজীকরণের উদ্দেশ্যে ২,০০,০০০ ইউ এস ডলার মূল্যমানের কিছু জাহাজীকরণ দলিল একটি প্রত্যয়পত্রের বিপরীতে নেগোশিয়েট করেছিল। কিন্তু ওপেনিং ব্যাংক দলিল পত্রাদি হাতে পাবার পর মালের ওজন সম্পর্কে অভিযোগ করে এবং যা চালান ওজনের তুলনায় কম ছিল বলে জানিয়ে দেয়।

নেগোশিয়েটিং ব্যাংক তখনই প্রত্যুত্তরে যাবতীয় ব্যাপারে ওপেনিং ব্যাংককে অবহিত করে। কিন্তু ওপেনিং ব্যাংক নেগোশিয়েটিং ব্যাংকের কোন যুক্তি মানতে নারাজ হয়। মালামাল গুলো পচনশীল প্রকৃতির হওয়ার ওপেনিং ব্যাংক নেগোশিয়েটিং ব্যাংকে দ্রুত মালামালগুলো ছাড়িয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিতে বলে।

এই প্রেক্ষিতে নেগোশিয়েটিং ব্যাংক মালামাল ছাড়ানোর নির্দেশনামা প্রদান করে। তখন ওপেনিং ব্যাংক এই মর্মে নেগোশিয়েটিং ব্যাংককে তথ্য প্রেরণ করে যে, ক্রেতা ৪০% বাট্টায় মালামাল কিনতে আগ্রহী আছে। এরই মধ্যে নেগোশিয়েটিং ব্যাংক ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে বিতর্কের একটি সাক্ষ্যপত্র গ্রহন করে যার মধ্যে ক্রেতার পূর্ববর্তী অবস্থার প্রেক্ষিত্রে ক্রেতার প্রতিশোধ পরায়ণতা ধরা পড়ে। এ সময় নেগোশিয়েটিং ব্যাংক ব্যাপারটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অবহিত করে।

“মুকিতাল ব্যাংক কেস

কেন্দ্রীয় ব্যাংক তখন ৪০% বাট্টায় পণ্য ছাড়িয়ে নেবার পরামর্শ দেয়, যদিও নেগোশিয়েটিং ব্যাংক মাত্র ১০% বাট্টায় পণ্য ছাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিল এবং যা ওপেনিং ব্যাংক গ্রহন করেছিল। নেগোশিয়েটিং ব্যাংক তখন দায় উদ্বৃত্তকে সমন্বয় করার জন্য পরবর্তী রপ্তানী বিল হতে তহবিল সংগ্রহ করে। তখন রপ্তানীকারক নেগোশিয়েটিং ব্যাংকের উপর ক্ষুব্দ হয় এবং রপ্তানী বিলের সম্পূর্ণ টাকা উদ্ধার করার জন্য একটি আইনানুগ সমন জারী করে। নিম্নলিখিত বিষয়গুলো আলোচনা করুন।

১) নেগোশিয়েটিং ব্যাংকের পদক্ষেপ সঠিক ছিল বা ছিল না।

২) লেন-দেনটি নিষ্পত্তির জন্য আর কি বিকল্প পদ্ধতি আছে বলে মনে করেন।

আরও পড়ুনঃ

মন্তব্য করুন