“ABC Bank কেস” [ কেস নম্বর -২ ] 

  “ABC Bank কেস” [ কেস নম্বর -২ ]

 “ABC Bank কেস” [ কেস নম্বর -২ ]

 

প্রতায়-পত্রের (Letter of Credit) মাধ্যমে ঋণ-সুবিধা গ্রহন :

বাংলাদেশের একজন আমদানীকারক মিঃ আশরাফ বিদেশ হতে সুতা আমদানী করে। তিনি ABC Bank-এর একজন প্রথমসারির মারুল যিনি নিয়মিতভাবে উক্ত ব্যাংক হতে আবর্তমান প্রত্যয় পত্র খোলার মাধ্যমে আমদানী বাণিজ্য করে থাকেন। ১৯৯৯ সালের মে মাসে তিনি উক্ত ব্যাংক হতে পূর্বের আবর্তমান প্রত্যয় পত্রের সুবিধা গ্রহন করে শতকরা ১০ ভাগ মার্জিনে ২ লক্ষ মার্কিন ডলারের সমমূল্যের সুতা আমদানীর জন্য চীনের একজন রপ্তানীকারকের সহিত চুক্তিবদ্ধ হলেন। যথাসময়ে পণ্যের চালান চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছিল। এবং ABC Bank (আমদানীকারকের ব্যাংক) উক্ত রপ্তানীকারকের ব্যাংক হতে প্রয়োজনীয় দলিলী কাগজপত্র বুঝে পেল। অতঃপর ABC Bank স্বল্প মেয়াদে ঋণ সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে মিঃ আশা রায়-এর অনুকূলে একটি PAD (Payment Against Document) হিসাব উনমুক্ত করে।

ইতোমধ্যে সরকার কর্তৃক প্রণীত বাজেটে সুতা আমদানীর উপর আরোপিত শুল্ক ১৫ শতাংশ হতে বৃদ্ধি করে ৩০ শতাংশে পুনঃনির্ধারণ করা হলো। ফলে আমদানীকৃত পণ্যের বায় আমদানীকারকের পূর্ব অনুমিত রায় হতে বেড়ে গেল, পণ্য খালাস করলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশী হবে। সুতরাং তিনি দেখলেন যে পণ্য খালাস না করাই আপাততঃ তার জন্য বেশী লাভজনক। বিধায় তিনি বন্দর হতে পণ্য খালাসে অনীহা প্রকাশ করেন। উপরন্তু, ব্যাংকের ক্রমাগত তাগাদা সত্ত্বেও তিনি পণ্য খালাস বা ব্যাংকের ঋণ পরিশোধকল্পে কোনরূপ ব্যবস্থা গ্রহনের স্বদিচছা প্রকাশ করেননি।

 

এমতবস্থায় ব্যাংক তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনে বাধ্য হয় এবং মিঃ আশা রায় উক্ত ব্যাংকের একজন সমস্তাগত নরুলরূপে পরিগণিত হয়।

(১) এরা প্রতাপারের অধীনে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বকের নতুন করে প্রতারণার না খুলে নির্দিষ্ট পরিমাণ জাকের বিনিময় বিশ বার বার করা যায় থাকে আবর্তমান প্রভাষ

”শাহেদ কেস” [ কেস নম্বর -৩ ]

মিঃ শাহেদ এদেশের একজন স্বনামধন্য আমাদানী কারক। তিনি স্পেন হতে ২০ লক্ষ মার্কিন ডলার সমমূল্যের টাইলস আমদানীর পক্ষো ড্রিমল্যান্ড ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় ১৫ শতাংশ মার্জিনে একটি প্রত্যয়পত্র খুললেন। যথাসময়ে, চট্টগ্রাম বন্দরে পদ্ম এসে পৌঁছায় এবং আলফা ব্যাংক উক্ত টাইলস রপ্তানীকারককে তার প্রাপ্য মূল্য পরিশোধ করে এবং আমদানীকারককে তার প্রাপ্য পরিশোধ করে সদর হে পণ্য ছাড়িয়ে নিতে বলে।

কিন্তু তখন মিঃ শাহেদ জানান যে তার কাছে পা ছাড়িয়ে নেবার মত যথেষ্ট অর্থ নেই। উপরে তিনি বাকে তার হয়ে পণ্য বন্দর থেকে ছাড়িয়ে নেয়ার অনুরোধ জানায় এবং পরবর্তীতে তিনি সেই পণ্য ব্যাংকের কাছ হতে ধীরে ধীরে অর্থ পরিশোষ করে ছাড়িয়ে নেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

ব্যাংক মিঃ শাহেদের পূর্ব রেকর্ড এবং একজন প্রথম সারির মঞ্চেল বিষায় তার অনুরোধ রক্ষাক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করে বন্দর হতে পণ্য ছাড়িয়ে আনে এবং LIM (Loan against imported Merchandise) Create / সৃষ্ট ক এবং মিঃ শাহেদ ডেলিভারী অর্ডার এর মাধ্যমে পণ্য ছাড়িয়ে নেবে এই শর্ত আরোপ করে। এই প্রক্রিয়া সৃষ্টির ফলে নিম্ন শাহেদের পর আমদানী খরচ আরও বৃদ্ধি পায় এবং প্রথম দুই কিস্তিতে কিছু পণ্য ছাড়িয়ে নেয়ার পর দেশীয় বাজারে টাইলস-এর দাম পড়ে যায়।

 

ফলশ্রুতিতে মিঃ শাহেদ দেখেন যে, বর্তমান বাজারে ব্যাংকের গোডাউন হতে টাইলস ছাড়িয়ে তা দেশীয় বাজারে বিক্রী করা তার লাভজনক নয় অর্থাৎ টাইলসের দাম হ্রাস পাওয়ায় ডেলিভারী প্লেট তার জন্য বেশী এবং তা বড় ধরনের লোকসান করবে। তাই তিনি এরপর উক্ত পণ্য ব্যাংকের কাছ হতে ছাড়িয়ে নেয়া দূরের কথা ব্যাংকের সাথে সর্বপ্রকার যোগাযোগই বন্ধ করে দিলেন এবং এভাবেই বাজার মূল্যহ্রাসের কারণে ব্যাংকের একজন Valued Client, Problematic Client-এ পরিণত হলো।

 “ওসমান এন্ড কোং কেস” [ কেস নম্বর -৪ ]

কান্ডারী ব্যাংক হতে ১৫% মার্জিন রেখে ঋণ সুবিধা নিয়ে ১৯৯৬ সালে ওসমান এন্ড কোং নামক একটি প্রতিষ্ঠান বিদেশ হতে উচা ক আমদানীর লক্ষ্যে ৩ লক্ষ মার্কিন ডলার সমমূল্যের একটি বাণিজ্যিক L/C খোলে। যথাসময়ে আমদানীকৃত পণ্য চিটাগাং পোর্টে এ পৌঁছে এবং পরবর্তীতে দেখা গেল যে, বন্দর হতে উক্ত পণ্য খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ আমদানীকারকের নিকট নেই।

ফলে তাঁর কোম্পানী পুনরায় ব্যাংকের শরণাপন্ন হয় এবং উহার পক্ষে পণ্য খালাস করার জন্য ব্যাংককে অনুরোধ করে। যেহেতু ওসমান এন্ড রা বিশ্বস্ত মক্কেল সেহেতু ব্যাংক উহাকে LTR পদ্ধতিতে ঋণ সুবিধা প্রদানে রাজি হয়। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, এই পদ্ধতিতে আমদানীকৃত পণ্য ব্যাংকের গুদামের পরিবর্তে আমদানীকারকের গুদামে রক্ষিত ছিল। অর্থাৎ ব্যাংক সম্পূর্ণ সরল বিশ্বাসে কোন রকম জামানত ছাড়াই তার মক্কেলকে এই ঋণ সুবিধা প্রদান করে। তবে শর্ত থাকে যে, বাজার পণ্য বিক্রি করার পর আমদানীকারক স্বল্প সময় ব্যাংকের টাকা পরিশোধ করে দিবেন।

কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দেখা গেল যে, আমদানীকারক ব্যাংকের টাকা পরিশোধ করাতো দূরে থাক, উপরন্ত ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ পর্যন্ত করেন না। এমতাবস্থায়, ব্যাংক বার বার তাগাদা প্রদান করেও ব্যর্থ হয়। ফলে আমদানীকারকের নিকট থেকে পাওনা অর্থ আদায়ের জন ব্যাংক বাধ্য হয়ে আইনের আশ্রয় গ্রহন করে এবং এভাবেই একজন বিশ্বস্ত মক্কেল ব্যাংকের একজন সমস্যাগ্রন্থ মক্কেলে পরিণত হয়।

 

আরও পড়ুনঃ

মন্তব্য করুন